ঢাকা ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বান্দরবানে শুরু হলো জাতীয় ফল মেলা Logo বেনাপোল বন্দর দিয়ে মাছ আমদানি বন্ধের পথে Logo সুবর্ণচরে ৬১৫ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ Logo দিনাজপুরে পুষ্টি কার্যক্রম সমন্বয়ে মিউনিসিপ্যালিটি লেভেল মাল্টি-সেক্টরাল নিউট্রিশন কো-অর্ডিনেশন কমিটি (এমএলএমএনসিসি)’র কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত Logo লোহাগাড়ায় ধান সংগ্রহে অনিয়ম, ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত প্রকৃত কৃষকরা Logo টেকনাফ ৩০৩ পিস ইয়াবাসহ মাদক পাচারকারী আটক Logo টেকনাফে ২১ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ Logo রামুতে ৭২ শিক্ষকের পদ শূন্য, চাপে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা Logo মুন্সীগ‌ঞ্জে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, মোটরসাইকেলে আগুন Logo প্রেমের টানে চীন থেকে নবীনগরে চীনা যুবক, এলাকায় চাঞ্চল্য!

হবিগঞ্জের বয়োজ্যেষ্ঠ  সাংবাদিক আব্দুল জলিলকে বার লাইব্রেরীর ভিতরে আইনজীবী চড়থাপ্পড়

আব্দুল নুর বাবুল, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২৯৩ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
দৈনিক জনতা পত্রিকার হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি বয়োজ্যেষ্ঠ  সাংবাদিক শেখ এম এ জলিলকে প্রকাশ্যে চড় থাপ্পড়,,প্রাণে হত্যার ভয় দেখিয়ে দুই লক্ষ টাকা চাঁদাবাজির  অভিযোগে গত রবিবার (২০ এপ্রিল) আইনজীবী নুরুল ইসলাম চৌধুরী ও শিক্ষানবিশ আইনজীবী রুমা আক্তারের বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ এনে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় এক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।   নুরুল ইসলাম চৌধুরী ও শিক্ষানবিশ আইনজীবী রুমা আক্তারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তিনি বিচারপ্রার্থী হয়েছেন হবিগঞ্জ আইনজীবী সমিতির নিকট ও। এ দিকে সাংবাদিককে চড় মারা ও নিরব স্হানে নিয়ে প্রাণে হত্যার হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী আব্দুল জলিল।
সিসি টিভির ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তোলপাড় শুরু হয় হবিগঞ্জ জেলার সর্বত্র।  অনেকেই আইনজীবী নুরুল ইসলাম চৌধুরীকে বদমেজাজি ও ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর উল্লেখ করে তার শাস্তি দাবি জানিয়েছেন। হবিগঞ্জ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ও নাগরিক সমাজ। মামলা দায়েরের পর হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শাহীন আহমেদ জানান, আমি অভিযোগ পেয়েছি এটি একটি দুঃখজনক ঘটনা, গতকাল থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার হওয়ার পর আইনজীবীর প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি হয়েছে।  পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনবে বলে আশ্বস্ত করেন সাংবাদিকদের।
জানা যায়, সাংবাদিক জলিল প্রায় মাস খানেক আগে রুমা আক্তার নামে এক শিক্ষানবীশ আইনজীবীকে গ্রাউন না পড়তে অনুরোধ করেন আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মনোয়ার আলীর চেম্বারে। তখন মনোয়ার আলীর সাথে কাজ করা রুমা বেশ কিছুদিন ধরে এডভোকেট নুরুল ইসলাম চৌধুরীর সাথে কাজ করে। সাংবাদিক জলিলের মাস খানেক আগের সেই কথা রুমা ভিন্নভাবে উপস্থাপন করেন এডভোকেট নুরুল ইসলাম চৌধুরীর কাছে। আর এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন নুরুল ইসলাম। গত ১৫ এপ্রিল সাংবাদিক জলিল জজ আদালতের উকিল লাইব্রেরীতে গেলে তাকে দেখতে পেয়ে আচমকা চড় থাপ্পড় মারতে শুরু করেন এডভোকেট নুরুল ইসলাম চৌধুরী। চড়থাপ্পড়  ও টানাহেঁচড়া করে অপমান করেন। এসময় আশপাশের লোকজন এসে এডভোকেট নুরুল ইসলাম চৌধুরীকে থামান।
এ দিকে এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করে দেখা যায়, কোনো  কারণ ছাড়াই এ ঘটনা ঘটিয়েছেন এডভোকেট নুরুল ইসলাম চৌধুরী। এঘটনায় হবিগঞ্জ বাসীসহ সাংবাদিক মহলে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। দ্রুত গ্রেফতার ও সনদ বাতিলের দাবি করেছেন সাংবাদিকবৃন্দ এদিকে এ বিষয়ে এডভোকেট নুরুল ইসলাম চৌধুরীর বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

হবিগঞ্জের বয়োজ্যেষ্ঠ  সাংবাদিক আব্দুল জলিলকে বার লাইব্রেরীর ভিতরে আইনজীবী চড়থাপ্পড়

আপডেট সময় :
দৈনিক জনতা পত্রিকার হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি বয়োজ্যেষ্ঠ  সাংবাদিক শেখ এম এ জলিলকে প্রকাশ্যে চড় থাপ্পড়,,প্রাণে হত্যার ভয় দেখিয়ে দুই লক্ষ টাকা চাঁদাবাজির  অভিযোগে গত রবিবার (২০ এপ্রিল) আইনজীবী নুরুল ইসলাম চৌধুরী ও শিক্ষানবিশ আইনজীবী রুমা আক্তারের বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ এনে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় এক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।   নুরুল ইসলাম চৌধুরী ও শিক্ষানবিশ আইনজীবী রুমা আক্তারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তিনি বিচারপ্রার্থী হয়েছেন হবিগঞ্জ আইনজীবী সমিতির নিকট ও। এ দিকে সাংবাদিককে চড় মারা ও নিরব স্হানে নিয়ে প্রাণে হত্যার হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী আব্দুল জলিল।
সিসি টিভির ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তোলপাড় শুরু হয় হবিগঞ্জ জেলার সর্বত্র।  অনেকেই আইনজীবী নুরুল ইসলাম চৌধুরীকে বদমেজাজি ও ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর উল্লেখ করে তার শাস্তি দাবি জানিয়েছেন। হবিগঞ্জ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ও নাগরিক সমাজ। মামলা দায়েরের পর হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শাহীন আহমেদ জানান, আমি অভিযোগ পেয়েছি এটি একটি দুঃখজনক ঘটনা, গতকাল থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার হওয়ার পর আইনজীবীর প্রতি ঘৃণা সৃষ্টি হয়েছে।  পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনবে বলে আশ্বস্ত করেন সাংবাদিকদের।
জানা যায়, সাংবাদিক জলিল প্রায় মাস খানেক আগে রুমা আক্তার নামে এক শিক্ষানবীশ আইনজীবীকে গ্রাউন না পড়তে অনুরোধ করেন আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মনোয়ার আলীর চেম্বারে। তখন মনোয়ার আলীর সাথে কাজ করা রুমা বেশ কিছুদিন ধরে এডভোকেট নুরুল ইসলাম চৌধুরীর সাথে কাজ করে। সাংবাদিক জলিলের মাস খানেক আগের সেই কথা রুমা ভিন্নভাবে উপস্থাপন করেন এডভোকেট নুরুল ইসলাম চৌধুরীর কাছে। আর এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন নুরুল ইসলাম। গত ১৫ এপ্রিল সাংবাদিক জলিল জজ আদালতের উকিল লাইব্রেরীতে গেলে তাকে দেখতে পেয়ে আচমকা চড় থাপ্পড় মারতে শুরু করেন এডভোকেট নুরুল ইসলাম চৌধুরী। চড়থাপ্পড়  ও টানাহেঁচড়া করে অপমান করেন। এসময় আশপাশের লোকজন এসে এডভোকেট নুরুল ইসলাম চৌধুরীকে থামান।
এ দিকে এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করে দেখা যায়, কোনো  কারণ ছাড়াই এ ঘটনা ঘটিয়েছেন এডভোকেট নুরুল ইসলাম চৌধুরী। এঘটনায় হবিগঞ্জ বাসীসহ সাংবাদিক মহলে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। দ্রুত গ্রেফতার ও সনদ বাতিলের দাবি করেছেন সাংবাদিকবৃন্দ এদিকে এ বিষয়ে এডভোকেট নুরুল ইসলাম চৌধুরীর বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।