ঢাকা ১২:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বান্দরবানে শুরু হলো জাতীয় ফল মেলা Logo বেনাপোল বন্দর দিয়ে মাছ আমদানি বন্ধের পথে Logo সুবর্ণচরে ৬১৫ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ Logo দিনাজপুরে পুষ্টি কার্যক্রম সমন্বয়ে মিউনিসিপ্যালিটি লেভেল মাল্টি-সেক্টরাল নিউট্রিশন কো-অর্ডিনেশন কমিটি (এমএলএমএনসিসি)’র কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত Logo লোহাগাড়ায় ধান সংগ্রহে অনিয়ম, ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত প্রকৃত কৃষকরা Logo টেকনাফ ৩০৩ পিস ইয়াবাসহ মাদক পাচারকারী আটক Logo টেকনাফে ২১ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ Logo রামুতে ৭২ শিক্ষকের পদ শূন্য, চাপে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা Logo মুন্সীগ‌ঞ্জে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, মোটরসাইকেলে আগুন Logo প্রেমের টানে চীন থেকে নবীনগরে চীনা যুবক, এলাকায় চাঞ্চল্য!

বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে দুর্গোৎসব

গণমুক্তি রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ৪১৫ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে আজ সমাপ্ত হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব। ঢাকা বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে হাজারো ভক্ত দেবীকে বিদায় জানাতে জড়ো হয়েছেন। শহরের বিভিন্ন মন্দির ও পাড়া থেকে প্রতিমাগুলো এখানে আনা হচ্ছে।

প্রথাগত বিশ্বাস অনুযায়ী, প্রতি শরতে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য দেবী দুর্গা স্বর্গলোক কৈলাস ছেড়ে মর্ত্যে আসেন। নির্ধারিত সময় পর্যন্ত বাবার বাড়িতে কাটানোর পর তিনি আবার কৈলাসে ফিরে যান। এই পাঁচদিন ধরে ভক্তরা দেবীর বন্দনা করেন।

বিজয়া দশমীতে পূজা উদযাপনের একটি প্রধান আচার হিসেবে নারীরা সিদুঁর খেলায় অংশ নেন। শহরের মণ্ডপ ও মন্দিরে দুর্গার পায়ে সিঁদুর নিবেদন করা হয়, যা ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলার অঙ্গ। এই আচারটি দেবী দুর্গার শক্তির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে এবং হিন্দু নারীরা একে অপরের গায়ে সিঁদুর মাখিয়ে সমৃদ্ধির কামনা করেন।

বিভিন্ন নদীর ঘাটে হাজারো মানুষ প্রতিমা বিসর্জন দেখার জন্য জড়ো হয়েছেন। বিসর্জনের সময় অনেক ভক্ত অশ্রুসিক্ত হন, আবার অনেকেই এই মুহূর্তটি উদযাপন করতে নেচে-গেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন।

বিসর্জনের আয়োজন দুর্গা পূজার স্থায়ী সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্য তুলে ধরে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে দুর্গোৎসব

আপডেট সময় :

 

প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে আজ সমাপ্ত হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব। ঢাকা বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে হাজারো ভক্ত দেবীকে বিদায় জানাতে জড়ো হয়েছেন। শহরের বিভিন্ন মন্দির ও পাড়া থেকে প্রতিমাগুলো এখানে আনা হচ্ছে।

প্রথাগত বিশ্বাস অনুযায়ী, প্রতি শরতে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য দেবী দুর্গা স্বর্গলোক কৈলাস ছেড়ে মর্ত্যে আসেন। নির্ধারিত সময় পর্যন্ত বাবার বাড়িতে কাটানোর পর তিনি আবার কৈলাসে ফিরে যান। এই পাঁচদিন ধরে ভক্তরা দেবীর বন্দনা করেন।

বিজয়া দশমীতে পূজা উদযাপনের একটি প্রধান আচার হিসেবে নারীরা সিদুঁর খেলায় অংশ নেন। শহরের মণ্ডপ ও মন্দিরে দুর্গার পায়ে সিঁদুর নিবেদন করা হয়, যা ঐতিহ্যবাহী সিঁদুর খেলার অঙ্গ। এই আচারটি দেবী দুর্গার শক্তির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে এবং হিন্দু নারীরা একে অপরের গায়ে সিঁদুর মাখিয়ে সমৃদ্ধির কামনা করেন।

বিভিন্ন নদীর ঘাটে হাজারো মানুষ প্রতিমা বিসর্জন দেখার জন্য জড়ো হয়েছেন। বিসর্জনের সময় অনেক ভক্ত অশ্রুসিক্ত হন, আবার অনেকেই এই মুহূর্তটি উদযাপন করতে নেচে-গেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন।

বিসর্জনের আয়োজন দুর্গা পূজার স্থায়ী সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্য তুলে ধরে।