ঢাকা ০২:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কোস্টগার্ডের মাদক বিরোধী অভিযানে  ৭৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ Logo গলাচিপা পৌরসভায় ভাতা ভোগীদের যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে জনমনে ইতিবাচক সাড়া Logo তিন দিন ব্যাপী নাটোর কানাইখালী মাঠে আম প্রদর্শনী ও ফল মেলা শুরু Logo ঝিনাইদহে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ Logo ঝিনাইদহে ছয় লেন সড়ক নির্মাণে অধিগ্রহণকৃত জমির ন্যায্য মূল্য’র দাবিতে মানববন্ধন Logo হরিণাকুণ্ডুতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সহায়তার চেক ও ফুটবল বিতরণ Logo ওয়ালটন প্লাজার দেশব্যাপী ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প, হটলাইন চালু Logo গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ডামুড্যায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo নলুয়াবাগী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আগ্রহ মুজিবুর রহমানের Logo সভাপতি মোশাররফ, সম্পাদক মিজান

বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ নদী ভাঙনে বিলীন হওয়ার আশংকা

গাইবান্ধায় তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙন ঘর-বাড়িসহ চলতি বছরে দেড়’শ হেক্টর আবাদি জমি নদীগর্ভে

এম সাদ্দাম হোসেন পবন, গাইবান্ধা
  • আপডেট সময় : ২৫৪ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অব্যাহত নদী ভাঙনের কারনে যে কোন সময় বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্রীপুর দত্তের খামার হতে ফুল মিয়ার বাজারের সামন পর্যন্ত তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙন দেখা অব্যাহত রয়েছে। নির্ঘুম রাত জেগে মানুষ ভাঙন আতংকে দিশেহারা হয়ে পড়েছে এই এলাকার মানুষ।
স্থানীয়রা বলছে,অব্যাহত নদী ভাঙনে এখন পর্যন্ত কেউ দেখতে আসেনি,পানি ওয়াপদার লোকরা কেন আসে না তা বুঝি না।
এক মাসের অব্যাহত নদী ভাঙনের ফলে বাস্তভিটসহ দেড়’শ হেক্টর ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের চরম উদাসীনতার অভিযোগ করেছে নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষ। তাদের অভিযোগ নযখন তীব্র ভাঙন থাকে গ্রামবাসীর আন্দোলনের কারনে নামে মাত্র জিও ব্যাগ ডাম্পিং করে দায়সারা কাজ করে চলে যায়। তাদের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ থাকলে অজ্ঞাত কারনে প্রশাসন কোন ব্যবস্থা গ্রহন করছে না।
তবে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাফিজুল হকের কথা বার্তা অসৌজন্যমূলক বলেও সাধারণ মানুষের অভিমতে উঠে এসেছে।
গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর দফতর জানায়, ওই ভাঙনে জন গুরুত্বপূর্ন স্থাপনা,বিদ্যালয় ভবনসহ ব্যাপক ক্ষতির চিত্র তুলে ধরে নদী ভাঙন থেকে রক্ষাকল্পে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা ডিপিপি প্রনয়ন করে বোর্ডের মাধ্যমে প্লানিং কমিশনে পাঠানো হয়েছে।
বিভিন্ন রিপোর্ট উপস্থাপন এবং কয়েক বার পদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করছি।
শ্রীপুরের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল হামিদ মাতব্বর জানান, নদী ভাঙন থেকে রক্ষা করতে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীদের সাথে যোগাযোগ করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছি না। এরই মধ্যে প্রায় ঘর-বাড়ীসহ ১ হেক্টর ফসল থাকা আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।
শ্রীপুরের দত্তের খামার এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি খোরশেদ আলম বলেন,আর কত ঘর বাড়ি ফসলি জমি নদীর্গভে চলে গিয়ে মানুষ সর্বশান্ত হলে পানি উন্নয়ন বোর্ড কাজ করবে! দীর্ঘ সময় ধরে যোগাযোগ করেও এই এলাকায় কোন কাজ করছে না ওয়াপদা।
গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের শাখা কর্মকর্তা ও উপসহকারী প্রকৌশলী মোহন সরকার জানান, শ্রীপুরের দত্তের খামার হতে কাপাসিয়ার কিছু অংশ নিয়ে একটি ডিপিপি প্রনয়ন করা হয়েছে এবং আমরন চেষ্টা করছি যাতে দ্রুত প্রকল্প অনুমোদনের মাধ্যমে কাজ শুরু করা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ নদী ভাঙনে বিলীন হওয়ার আশংকা

গাইবান্ধায় তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙন ঘর-বাড়িসহ চলতি বছরে দেড়’শ হেক্টর আবাদি জমি নদীগর্ভে

আপডেট সময় :

অব্যাহত নদী ভাঙনের কারনে যে কোন সময় বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্রীপুর দত্তের খামার হতে ফুল মিয়ার বাজারের সামন পর্যন্ত তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙন দেখা অব্যাহত রয়েছে। নির্ঘুম রাত জেগে মানুষ ভাঙন আতংকে দিশেহারা হয়ে পড়েছে এই এলাকার মানুষ।
স্থানীয়রা বলছে,অব্যাহত নদী ভাঙনে এখন পর্যন্ত কেউ দেখতে আসেনি,পানি ওয়াপদার লোকরা কেন আসে না তা বুঝি না।
এক মাসের অব্যাহত নদী ভাঙনের ফলে বাস্তভিটসহ দেড়’শ হেক্টর ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের চরম উদাসীনতার অভিযোগ করেছে নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষ। তাদের অভিযোগ নযখন তীব্র ভাঙন থাকে গ্রামবাসীর আন্দোলনের কারনে নামে মাত্র জিও ব্যাগ ডাম্পিং করে দায়সারা কাজ করে চলে যায়। তাদের বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ থাকলে অজ্ঞাত কারনে প্রশাসন কোন ব্যবস্থা গ্রহন করছে না।
তবে নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাফিজুল হকের কথা বার্তা অসৌজন্যমূলক বলেও সাধারণ মানুষের অভিমতে উঠে এসেছে।
গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর দফতর জানায়, ওই ভাঙনে জন গুরুত্বপূর্ন স্থাপনা,বিদ্যালয় ভবনসহ ব্যাপক ক্ষতির চিত্র তুলে ধরে নদী ভাঙন থেকে রক্ষাকল্পে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা ডিপিপি প্রনয়ন করে বোর্ডের মাধ্যমে প্লানিং কমিশনে পাঠানো হয়েছে।
বিভিন্ন রিপোর্ট উপস্থাপন এবং কয়েক বার পদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করছি।
শ্রীপুরের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল হামিদ মাতব্বর জানান, নদী ভাঙন থেকে রক্ষা করতে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীদের সাথে যোগাযোগ করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছি না। এরই মধ্যে প্রায় ঘর-বাড়ীসহ ১ হেক্টর ফসল থাকা আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।
শ্রীপুরের দত্তের খামার এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি খোরশেদ আলম বলেন,আর কত ঘর বাড়ি ফসলি জমি নদীর্গভে চলে গিয়ে মানুষ সর্বশান্ত হলে পানি উন্নয়ন বোর্ড কাজ করবে! দীর্ঘ সময় ধরে যোগাযোগ করেও এই এলাকায় কোন কাজ করছে না ওয়াপদা।
গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের শাখা কর্মকর্তা ও উপসহকারী প্রকৌশলী মোহন সরকার জানান, শ্রীপুরের দত্তের খামার হতে কাপাসিয়ার কিছু অংশ নিয়ে একটি ডিপিপি প্রনয়ন করা হয়েছে এবং আমরন চেষ্টা করছি যাতে দ্রুত প্রকল্প অনুমোদনের মাধ্যমে কাজ শুরু করা যায়।