ঢাকা ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo শেরপুরে কেন্দ্রে কেন্দ্রে যাচ্ছে ব্যালটসহ ভোটের উপকরণ Logo সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিনির্ভর প্রস্তুতি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানে আনসার-ভিডিপি Logo নির্বাচনী মাঠে তৎপর আনসার বাহিনীর ১,১৯১টি স্ট্রাইকিং টিম Logo কাঁঠালিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধে, আহত-৭ Logo শাল্লায় জালিয়াতি করে জলমহাল দখল চেষ্টার অভিযোগ Logo বাগেরহাটে নির্বাচন থেকে সরে দাড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী Logo মাগুরায় দুই আসনে ৭ দলের ১১ প্রার্থী Logo ২য় পদ্মা সেতু ও নদী শাসন ইসু প্রভাব ফেলবে গোয়ালন্দের ভোটের হিসেবে Logo ‘এবার ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কোনো সুযোগ নেই’ Logo পেঁয়াজের সাদা ফুলে নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন গোয়ালন্দের চাষিরা

আর ৫০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েই পরিবার নিয়ে বিদেশ—কিন্তু

গণমুক্তি রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ৪৫৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

পল্লব দাস সম্পর্কে গোয়েন্দা প্রধান বলেন, রংপুরে এনআইডি সার্ভারে আউটসোর্সিংয়ে ডাটা এন্ট্রি অপারেটরে যুক্ত ছিলো। সে নিজের ইচ্ছামতো সার্ভারে ঢুকে এনআইডি তৈরি করে ২ থেকে ৩ লাখ টাকায় জয়নালকে সরবরাহ করতো

প্রথম দফায় বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ৩০ কোটি ঋণ নিয়েছিলো তারা। এবারে আরও ৫০ কোটি টাকার হাতানো পরিকল্পনা ছিলো। তারপর পরিবার নিয়ে বিদেশে চলে যাবার পরিকল্প ছিলো জয়নাল আবেদীন তথা ইদ্রিস (৪২),

কিন্ত তার আগেই গোয়েন্দা জালে আটকা পড়ে জয়নাল আদেীনসহ ৪জন। যেখানে নির্বাচন কমিশনের একজন কর্মচারী পল্লব দাসও (৩৬) অন্যতম হোতা। অপর দুই সহযোগী রফিকুল ইসলাম খাঁন (৩৮) ও আলিফ হোসেন (২০)।

নাটের গুরু পল্লব দাস রংপুরে এনআইডি সার্ভারে আউটসোর্সিংয়ে ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের কাজ করেন। এই সুবাদে সার্ভারে ঢুকে নাম পরিচয় ঠিক রেখে পৃথক পৃথক নাম্বারে এনআইডি কার্ড তৈরি করে জয়নালকে সরবরাহ করতেন পল্লব। তা দিয়ে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণ নিতেন জয়নাল।

এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান, গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।
শনিবার (৬ এপ্রিল) মিন্টু রোডের নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব জানিয়ে গোয়েন্দা বলেন, এই চক্রটি পরিকল্পিভাবে ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্যবহার করে একাধিক ব্যাংক থেকে ঋণ জালিয়াতি করে ৩০ কোটি টাকা হাতিয়েছে।

ভুয়া দলিল ও এনআইডি ব্যবহার করে আরও ৫০ কোটি টাকা ব্যাংকঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল চক্রের পান্ডা জয়নালের। এরপর পরিবার নিয়ে বিদেশে পালায়ে যেতো।
শুক্রবার (৫ এপ্রিল) মিরপুর এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ইমিটেশন পণ্যের দোকানি ছিলো জয়নাল। ব্যবসায় লস করে প্রতারণা হাত পাকায়। জয়নাল তার প্রতারণার জন্য একটি কোম্পানি খুলে আরও সাতটি কোম্পানির নামে কাগজপত্র তৈরি করে নেয়। সেসব কাগজপত্র দিয়ে বিভিন্ন ব্যাংকের অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজসে ঋণ নিতো।

জয়নালের কার্যকর ১০টি এনআইডি ছিল। এসব এনআইডি দিয়ে সে বিভিন্ন ব্যাংকে লোনের জন্য আবেদন করতো। এনআইডির নাম ও ঠিকানা ঠিক থাকতো শুধুমাত্র সেটির নম্বর পরিবর্তন করা। কোনোটাতে তিনি দাড়িসহ ছবি দিতেন। আবার কোনোটাতে গোঁফ, কোনটা দাড়ি-গোঁফ ছাড়া ছবি ব্যবহার করা হতো।

তিনি বলেন, জয়নাল ডিওএইচএসে ইআর ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি অফিস নিয়েছিলেন। এই একটি অফিসকে সাতটি পৃথক নামে একই ঠিকানায় দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যাংকে ঋণের জন্য আবেদন করতেন।

জয়নাল বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ৩০ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে ফেরত দেয়নি। ভাটারা এলাকায় একটি সাততলা বাড়ি, উত্তরা, আশকোনাসহ আট থেকে নয়টি ফ্ল্যাট ও মাদারীপুরে বাড়ি রয়েছে তার।

পল্লব দাস সম্পর্কে গোয়েন্দা প্রধান বলেন, রংপুরে এনআইডি সার্ভারে আউটসোর্সিংয়ে ডাটা এন্ট্রি অপারেটরে যুক্ত ছিলো। সে নিজের ইচ্ছামতো সার্ভারে ঢুকে এনআইডি তৈরি করে ২ থেকে ৩ লাখ টাকায় জয়নালকে সরবরাহ করতো।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আর ৫০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েই পরিবার নিয়ে বিদেশ—কিন্তু

আপডেট সময় :

 

পল্লব দাস সম্পর্কে গোয়েন্দা প্রধান বলেন, রংপুরে এনআইডি সার্ভারে আউটসোর্সিংয়ে ডাটা এন্ট্রি অপারেটরে যুক্ত ছিলো। সে নিজের ইচ্ছামতো সার্ভারে ঢুকে এনআইডি তৈরি করে ২ থেকে ৩ লাখ টাকায় জয়নালকে সরবরাহ করতো

প্রথম দফায় বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ৩০ কোটি ঋণ নিয়েছিলো তারা। এবারে আরও ৫০ কোটি টাকার হাতানো পরিকল্পনা ছিলো। তারপর পরিবার নিয়ে বিদেশে চলে যাবার পরিকল্প ছিলো জয়নাল আবেদীন তথা ইদ্রিস (৪২),

কিন্ত তার আগেই গোয়েন্দা জালে আটকা পড়ে জয়নাল আদেীনসহ ৪জন। যেখানে নির্বাচন কমিশনের একজন কর্মচারী পল্লব দাসও (৩৬) অন্যতম হোতা। অপর দুই সহযোগী রফিকুল ইসলাম খাঁন (৩৮) ও আলিফ হোসেন (২০)।

নাটের গুরু পল্লব দাস রংপুরে এনআইডি সার্ভারে আউটসোর্সিংয়ে ডাটা এন্ট্রি অপারেটরের কাজ করেন। এই সুবাদে সার্ভারে ঢুকে নাম পরিচয় ঠিক রেখে পৃথক পৃথক নাম্বারে এনআইডি কার্ড তৈরি করে জয়নালকে সরবরাহ করতেন পল্লব। তা দিয়ে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণ নিতেন জয়নাল।

এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান, গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।
শনিবার (৬ এপ্রিল) মিন্টু রোডের নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব জানিয়ে গোয়েন্দা বলেন, এই চক্রটি পরিকল্পিভাবে ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্যবহার করে একাধিক ব্যাংক থেকে ঋণ জালিয়াতি করে ৩০ কোটি টাকা হাতিয়েছে।

ভুয়া দলিল ও এনআইডি ব্যবহার করে আরও ৫০ কোটি টাকা ব্যাংকঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল চক্রের পান্ডা জয়নালের। এরপর পরিবার নিয়ে বিদেশে পালায়ে যেতো।
শুক্রবার (৫ এপ্রিল) মিরপুর এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ইমিটেশন পণ্যের দোকানি ছিলো জয়নাল। ব্যবসায় লস করে প্রতারণা হাত পাকায়। জয়নাল তার প্রতারণার জন্য একটি কোম্পানি খুলে আরও সাতটি কোম্পানির নামে কাগজপত্র তৈরি করে নেয়। সেসব কাগজপত্র দিয়ে বিভিন্ন ব্যাংকের অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজসে ঋণ নিতো।

জয়নালের কার্যকর ১০টি এনআইডি ছিল। এসব এনআইডি দিয়ে সে বিভিন্ন ব্যাংকে লোনের জন্য আবেদন করতো। এনআইডির নাম ও ঠিকানা ঠিক থাকতো শুধুমাত্র সেটির নম্বর পরিবর্তন করা। কোনোটাতে তিনি দাড়িসহ ছবি দিতেন। আবার কোনোটাতে গোঁফ, কোনটা দাড়ি-গোঁফ ছাড়া ছবি ব্যবহার করা হতো।

তিনি বলেন, জয়নাল ডিওএইচএসে ইআর ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি অফিস নিয়েছিলেন। এই একটি অফিসকে সাতটি পৃথক নামে একই ঠিকানায় দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যাংকে ঋণের জন্য আবেদন করতেন।

জয়নাল বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ৩০ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে ফেরত দেয়নি। ভাটারা এলাকায় একটি সাততলা বাড়ি, উত্তরা, আশকোনাসহ আট থেকে নয়টি ফ্ল্যাট ও মাদারীপুরে বাড়ি রয়েছে তার।

পল্লব দাস সম্পর্কে গোয়েন্দা প্রধান বলেন, রংপুরে এনআইডি সার্ভারে আউটসোর্সিংয়ে ডাটা এন্ট্রি অপারেটরে যুক্ত ছিলো। সে নিজের ইচ্ছামতো সার্ভারে ঢুকে এনআইডি তৈরি করে ২ থেকে ৩ লাখ টাকায় জয়নালকে সরবরাহ করতো।