ঢাকা ০৩:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কোস্টগার্ডের মাদক বিরোধী অভিযানে  ৭৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ Logo গলাচিপা পৌরসভায় ভাতা ভোগীদের যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে জনমনে ইতিবাচক সাড়া Logo তিন দিন ব্যাপী নাটোর কানাইখালী মাঠে আম প্রদর্শনী ও ফল মেলা শুরু Logo ঝিনাইদহে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ Logo ঝিনাইদহে ছয় লেন সড়ক নির্মাণে অধিগ্রহণকৃত জমির ন্যায্য মূল্য’র দাবিতে মানববন্ধন Logo হরিণাকুণ্ডুতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সহায়তার চেক ও ফুটবল বিতরণ Logo ওয়ালটন প্লাজার দেশব্যাপী ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প, হটলাইন চালু Logo গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ডামুড্যায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo নলুয়াবাগী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আগ্রহ মুজিবুর রহমানের Logo সভাপতি মোশাররফ, সম্পাদক মিজান

সমাজের বিত্তবানদের মানবিকতায় পাশে দাড়ানো প্রয়োজন

গাইবান্ধায় ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত শায়রা বাঁচতে চায়

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৩৪ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের পাঁচ বছর বয়সী কোমলমতি শিশু শায়রা আক্তার ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়েছে। শিশু শায়রা জন্ম নেবার কয়েক মাস পরেই ধরা পড়ে ব্রেন টিউমারে সে আক্রান্ত।
এই অবুঝ শিশুকে উন্নত চিকিৎসা করানোর মতো আর্থিক অস্বচ্ছল পরিবারটি এখন তাকিয়ে রয়েছে সমাজের বিত্তবানদের দৃষ্টিজুড়ে।
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের দক্ষিণ মন্দুয়া গ্রামের রাজমিস্ত্রী আব্দুস সামাদের মেয়ে।
পরিবার বলছে,জন্মের কয়েকমাস পরে তার চোখে দেখা দেয় ফোঁড়া। একসময় সেই ফোড়া বড় হয়ে পুরো চোখ ঢেকে রাতদিন চব্বিশ ঘন্টা পড়তে থাকে রক্ত ও পুজ। নিজেদের সক্ষমতা অনুযায়ী সন্তানের চিকিৎসা চালিয়ে গেলেও এখন অনাহারে-অর্ধহারে পরিবারকে থাকতে হচ্ছে। সেই সাথে শিশু শায়রা আক্তারের বেঁচে আর্তনাত দিন দিন আরও গভীর ভাবে পরিবারের সবাইকে ব্যথিত করছে।
ভূমিহীন এই পরিবারের পক্ষে শিশু শায়রা আক্তারকে উন্নত চিকিৎসা দেবার সামর্থ না থাকায় দিন রাত ২৪ ঘন্টায় বাবা মায়ের চোখের পানি যেন থামছেই না।
এদিকে দেড় শতক ভিটে মাটি ছাড়া কোনো জমি জমা না থাকায় মেয়ের চিকিৎসা খরচ চালাতে গিয়ে গরু -ছাগল বিক্রি করে ও প্রায় দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা দেনাদার হয়েছে দিনমজুর আব্দুস সামাদ। তাকে দ্রুত অপারেশনের পরামর্শ দেন জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসকরা। এতে প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকার প্রয়োজন। দিনমজুর বাবার পক্ষে এত টাকা বহন করা সম্ভব নয়।
আক্রান্ত শিশুটির স্বজন ও প্রতিবেশীরা জানান, ছোট্ট শিশুটির ব্রেন টিউমারের আক্রান্তের খবর পুরো গ্রাম কে নাড়িয়ে দিয়েছে। শায়রার বয়সী আমাদেরও ছেলে- মেয়ে আছে তার এই কষ্ট দেখে খুব খারাপ লাগে।
যে বয়সে খেলাধুলায় ব্যস্ত থাকার কথা সেই বয়সে কোমলমতি শিশু বাচ্চাটি অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে না পেরে তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে । তাই সরকার ও সমাজের বিত্তবানরা যদি সহযোগিতা করে তাহলে শিশুটি নতুন জীবন ফিরে পাবে।
অসুস্থ শিশু শায়রা বলেন, আমি রাতের বেলা ঘুমাতে পারিনা, চোখ ব্যাথা করে পুজ বের হয় এসব অসুখের যন্ত্রনার কথা বলেই কেঁদে ফেলেন ছোট্র শিশুটি । আমি আলো বাতাসের পৃথিবীতে থাকতে চাই।
বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফজলুল কাইয়্যুম হুদা বলেন, পরিবারটি দরিদ্র ও অসহায়। আব্দুস সামাদের মেয়ের চিকিৎসার জন্য সরকার সহ সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিরা এগিয়ে আসলে সকলের সহযোগীয় বেঁচে যেতে পারে তাদের সন্তান। পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সাধ্যমত সহযোগীতা করার কথা জানান তিনি ।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সমাজের বিত্তবানদের মানবিকতায় পাশে দাড়ানো প্রয়োজন

গাইবান্ধায় ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত শায়রা বাঁচতে চায়

আপডেট সময় :

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের পাঁচ বছর বয়সী কোমলমতি শিশু শায়রা আক্তার ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়েছে। শিশু শায়রা জন্ম নেবার কয়েক মাস পরেই ধরা পড়ে ব্রেন টিউমারে সে আক্রান্ত।
এই অবুঝ শিশুকে উন্নত চিকিৎসা করানোর মতো আর্থিক অস্বচ্ছল পরিবারটি এখন তাকিয়ে রয়েছে সমাজের বিত্তবানদের দৃষ্টিজুড়ে।
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের দক্ষিণ মন্দুয়া গ্রামের রাজমিস্ত্রী আব্দুস সামাদের মেয়ে।
পরিবার বলছে,জন্মের কয়েকমাস পরে তার চোখে দেখা দেয় ফোঁড়া। একসময় সেই ফোড়া বড় হয়ে পুরো চোখ ঢেকে রাতদিন চব্বিশ ঘন্টা পড়তে থাকে রক্ত ও পুজ। নিজেদের সক্ষমতা অনুযায়ী সন্তানের চিকিৎসা চালিয়ে গেলেও এখন অনাহারে-অর্ধহারে পরিবারকে থাকতে হচ্ছে। সেই সাথে শিশু শায়রা আক্তারের বেঁচে আর্তনাত দিন দিন আরও গভীর ভাবে পরিবারের সবাইকে ব্যথিত করছে।
ভূমিহীন এই পরিবারের পক্ষে শিশু শায়রা আক্তারকে উন্নত চিকিৎসা দেবার সামর্থ না থাকায় দিন রাত ২৪ ঘন্টায় বাবা মায়ের চোখের পানি যেন থামছেই না।
এদিকে দেড় শতক ভিটে মাটি ছাড়া কোনো জমি জমা না থাকায় মেয়ের চিকিৎসা খরচ চালাতে গিয়ে গরু -ছাগল বিক্রি করে ও প্রায় দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা দেনাদার হয়েছে দিনমজুর আব্দুস সামাদ। তাকে দ্রুত অপারেশনের পরামর্শ দেন জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসকরা। এতে প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকার প্রয়োজন। দিনমজুর বাবার পক্ষে এত টাকা বহন করা সম্ভব নয়।
আক্রান্ত শিশুটির স্বজন ও প্রতিবেশীরা জানান, ছোট্ট শিশুটির ব্রেন টিউমারের আক্রান্তের খবর পুরো গ্রাম কে নাড়িয়ে দিয়েছে। শায়রার বয়সী আমাদেরও ছেলে- মেয়ে আছে তার এই কষ্ট দেখে খুব খারাপ লাগে।
যে বয়সে খেলাধুলায় ব্যস্ত থাকার কথা সেই বয়সে কোমলমতি শিশু বাচ্চাটি অর্থের অভাবে চিকিৎসা করাতে না পেরে তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে । তাই সরকার ও সমাজের বিত্তবানরা যদি সহযোগিতা করে তাহলে শিশুটি নতুন জীবন ফিরে পাবে।
অসুস্থ শিশু শায়রা বলেন, আমি রাতের বেলা ঘুমাতে পারিনা, চোখ ব্যাথা করে পুজ বের হয় এসব অসুখের যন্ত্রনার কথা বলেই কেঁদে ফেলেন ছোট্র শিশুটি । আমি আলো বাতাসের পৃথিবীতে থাকতে চাই।
বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফজলুল কাইয়্যুম হুদা বলেন, পরিবারটি দরিদ্র ও অসহায়। আব্দুস সামাদের মেয়ের চিকিৎসার জন্য সরকার সহ সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিরা এগিয়ে আসলে সকলের সহযোগীয় বেঁচে যেতে পারে তাদের সন্তান। পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সাধ্যমত সহযোগীতা করার কথা জানান তিনি ।