ঢাকা ১১:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কোস্টগার্ডের মাদক বিরোধী অভিযানে  ৭৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ Logo গলাচিপা পৌরসভায় ভাতা ভোগীদের যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে জনমনে ইতিবাচক সাড়া Logo তিন দিন ব্যাপী নাটোর কানাইখালী মাঠে আম প্রদর্শনী ও ফল মেলা শুরু Logo ঝিনাইদহে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ Logo ঝিনাইদহে ছয় লেন সড়ক নির্মাণে অধিগ্রহণকৃত জমির ন্যায্য মূল্য’র দাবিতে মানববন্ধন Logo হরিণাকুণ্ডুতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সহায়তার চেক ও ফুটবল বিতরণ Logo ওয়ালটন প্লাজার দেশব্যাপী ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প, হটলাইন চালু Logo গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ডামুড্যায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo নলুয়াবাগী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আগ্রহ মুজিবুর রহমানের Logo সভাপতি মোশাররফ, সম্পাদক মিজান

পঙ্গু হাসপাতালে আহতদের পাশে প্রধানমন্ত্রী

গণমুক্তি ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ৬০১ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট সংঘাতে আহতদের দেখতে পঙ্গু হাসপাতালে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই হাসপাতালটির পুরো নাম ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ট্রমাটোলজি অ্যান্ড অর্থোপেডিক রিহ্যাবিলিটেশন (নিটর)।

শনিবার (২৭ জুলাই) সকালে প্রধানমন্ত্রী সেখানে গুরুতর আহত চিকিৎসাধীন কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন।

আহতদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। প্রধানমন্ত্রী আহত ব্যক্তিদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন।

নিটর পরিচালক অধ্যাপক ড. কাজী শামীম উজ্জামান আহতদের চিকিৎসার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন।

অন্যান্যের মধ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নাঈমুল ইসলাম খান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার বিকেলে সাম্প্রতিক সংঘাতে আহতদের দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। সেখানে তিনি বলেন, আহতদের চিকিৎসায় যা যা প্রয়োজন সরকার তা করছে এবং করে যাবে।

এছাড়াও শুক্রবার সকালে প্রধানমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবন পরিদর্শন করেন এবং বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকালে ক্ষতিগ্রস্ত মিরপুর ১০ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশন পরিদর্শন করেন তিনি।

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গত ১৬ জুলাই থেকে প্রাণঘাতি সংঘাতে জড়ায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থী এবং পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবিসহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক এ সংঘাতে ঢাকাসহ সারা প্রাণহানির ঘটনা এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ আহত হন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পঙ্গু হাসপাতালে আহতদের পাশে প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় :

 

কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট সংঘাতে আহতদের দেখতে পঙ্গু হাসপাতালে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই হাসপাতালটির পুরো নাম ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ট্রমাটোলজি অ্যান্ড অর্থোপেডিক রিহ্যাবিলিটেশন (নিটর)।

শনিবার (২৭ জুলাই) সকালে প্রধানমন্ত্রী সেখানে গুরুতর আহত চিকিৎসাধীন কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন।

আহতদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। প্রধানমন্ত্রী আহত ব্যক্তিদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন।

নিটর পরিচালক অধ্যাপক ড. কাজী শামীম উজ্জামান আহতদের চিকিৎসার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন।

অন্যান্যের মধ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নাঈমুল ইসলাম খান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার বিকেলে সাম্প্রতিক সংঘাতে আহতদের দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। সেখানে তিনি বলেন, আহতদের চিকিৎসায় যা যা প্রয়োজন সরকার তা করছে এবং করে যাবে।

এছাড়াও শুক্রবার সকালে প্রধানমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবন পরিদর্শন করেন এবং বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকালে ক্ষতিগ্রস্ত মিরপুর ১০ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশন পরিদর্শন করেন তিনি।

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গত ১৬ জুলাই থেকে প্রাণঘাতি সংঘাতে জড়ায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থী এবং পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবিসহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সাম্প্রতিক এ সংঘাতে ঢাকাসহ সারা প্রাণহানির ঘটনা এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ আহত হন।