ঢাকা ১১:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কোস্টগার্ডের মাদক বিরোধী অভিযানে  ৭৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ Logo গলাচিপা পৌরসভায় ভাতা ভোগীদের যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে জনমনে ইতিবাচক সাড়া Logo তিন দিন ব্যাপী নাটোর কানাইখালী মাঠে আম প্রদর্শনী ও ফল মেলা শুরু Logo ঝিনাইদহে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ Logo ঝিনাইদহে ছয় লেন সড়ক নির্মাণে অধিগ্রহণকৃত জমির ন্যায্য মূল্য’র দাবিতে মানববন্ধন Logo হরিণাকুণ্ডুতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সহায়তার চেক ও ফুটবল বিতরণ Logo ওয়ালটন প্লাজার দেশব্যাপী ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প, হটলাইন চালু Logo গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ডামুড্যায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo নলুয়াবাগী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আগ্রহ মুজিবুর রহমানের Logo সভাপতি মোশাররফ, সম্পাদক মিজান

দুবাইয়ে নারী পাচারকারী চক্রের হোতা দম্পতি গ্রেপ্তার

গণমুক্তি রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ৫৩২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

দুবাইয়ে নারী পাচারকারী চক্রের মূলহোতা ইতি বেগম (৩৬) ও তার প্রধান সহযোগী ওমর ফারদিন খন্দকার ওরফে আকাশকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৩)। আকাশ সম্পর্কে ইতির স্বামী। শুক্রবার (৩১ মে) নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার বন্দর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। র‌্যাব-৩ এর স্টাফ অফিসার (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার মো. শামীম হোসেন বলেন, তাদের জনশক্তি রপ্তানির কোনো বৈধ লাইসেন্স নেই। তারা সামাজিক ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের তরুণী ও কিশোরীদের দুবাইয়ের বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট ও বাসাবাড়িতে উচ্চ বেতনে চাকরি, থাকা-খাওয়া ফ্রিসহ লোভনীয় সুযোগ-সুবিধার কথা বলে ফাঁদে ফেলে থাকে।

দেশের বিভিন্ন এলাকার সাধারণ নারীরা বিনামূল্যে দুবাই গিয়ে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী ও সচ্ছল হওয়ার আশায় দুবাইতে যেতে রাজি হলে তাদের চক্রটির মূলহোতা ইতি বেগমের দুবাই প্রবাসী বোন শিউলি বেগমের কাছে পাঠানো হয়। শিউলি মূলত দুবাইয়ে পাচারকৃত নারীদের এয়ারপোর্ট থেকে রিসিভ করে তার কাছে নিয়ে যায়। পরে সহযোগীদের নিয়ে পাচারকৃত নারীদের ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে অসামাজিক কাজে বাধ্য করে। অসামাজিক কাজে লিপ্ত হতে অস্বীকার এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে গেলে প্রাণনাশের হুমকি দেয় এবং দেশে অবস্থানরত পাচারকৃত নারীর পরিবারকে ভয়-ভীতি দেখায়।

শামীম হোসেন বলেন, গত ৮ মার্চ চক্রটি বন্দর থানার ঝাউতলা এলাকার দরিদ্র পরিবারের এক নারীকে রেস্টুরেন্টে চাকরি দেওয়ার কথা বলে দুবাইতে পাচার করে। সেখানে পৌঁছে কথা অনুযায়ী কাজ না পেয়ে এবং নির্যাতনের মাধ্যমে অসামাজিক কাজে লিপ্ত হতে বাধ্য হয়ে ভুক্তভোগী নারী তার পরিবারকে বিষয়টি জানায়। একই কায়দায় দুবাইতে পাচারকৃত একাধিক নারীকে নির্যাতনের মাধ্যমে অসামাজিক কাজে বাধ্য করা হচ্ছে বলেও ভুক্তভোগী তার পরিবারকে জানায়।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

দুবাইয়ে নারী পাচারকারী চক্রের হোতা দম্পতি গ্রেপ্তার

আপডেট সময় :

 

দুবাইয়ে নারী পাচারকারী চক্রের মূলহোতা ইতি বেগম (৩৬) ও তার প্রধান সহযোগী ওমর ফারদিন খন্দকার ওরফে আকাশকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৩)। আকাশ সম্পর্কে ইতির স্বামী। শুক্রবার (৩১ মে) নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার বন্দর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। র‌্যাব-৩ এর স্টাফ অফিসার (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার মো. শামীম হোসেন বলেন, তাদের জনশক্তি রপ্তানির কোনো বৈধ লাইসেন্স নেই। তারা সামাজিক ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের তরুণী ও কিশোরীদের দুবাইয়ের বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট ও বাসাবাড়িতে উচ্চ বেতনে চাকরি, থাকা-খাওয়া ফ্রিসহ লোভনীয় সুযোগ-সুবিধার কথা বলে ফাঁদে ফেলে থাকে।

দেশের বিভিন্ন এলাকার সাধারণ নারীরা বিনামূল্যে দুবাই গিয়ে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী ও সচ্ছল হওয়ার আশায় দুবাইতে যেতে রাজি হলে তাদের চক্রটির মূলহোতা ইতি বেগমের দুবাই প্রবাসী বোন শিউলি বেগমের কাছে পাঠানো হয়। শিউলি মূলত দুবাইয়ে পাচারকৃত নারীদের এয়ারপোর্ট থেকে রিসিভ করে তার কাছে নিয়ে যায়। পরে সহযোগীদের নিয়ে পাচারকৃত নারীদের ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে অসামাজিক কাজে বাধ্য করে। অসামাজিক কাজে লিপ্ত হতে অস্বীকার এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে গেলে প্রাণনাশের হুমকি দেয় এবং দেশে অবস্থানরত পাচারকৃত নারীর পরিবারকে ভয়-ভীতি দেখায়।

শামীম হোসেন বলেন, গত ৮ মার্চ চক্রটি বন্দর থানার ঝাউতলা এলাকার দরিদ্র পরিবারের এক নারীকে রেস্টুরেন্টে চাকরি দেওয়ার কথা বলে দুবাইতে পাচার করে। সেখানে পৌঁছে কথা অনুযায়ী কাজ না পেয়ে এবং নির্যাতনের মাধ্যমে অসামাজিক কাজে লিপ্ত হতে বাধ্য হয়ে ভুক্তভোগী নারী তার পরিবারকে বিষয়টি জানায়। একই কায়দায় দুবাইতে পাচারকৃত একাধিক নারীকে নির্যাতনের মাধ্যমে অসামাজিক কাজে বাধ্য করা হচ্ছে বলেও ভুক্তভোগী তার পরিবারকে জানায়।