ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বান্দরবানে শুরু হলো জাতীয় ফল মেলা Logo বেনাপোল বন্দর দিয়ে মাছ আমদানি বন্ধের পথে Logo সুবর্ণচরে ৬১৫ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ Logo দিনাজপুরে পুষ্টি কার্যক্রম সমন্বয়ে মিউনিসিপ্যালিটি লেভেল মাল্টি-সেক্টরাল নিউট্রিশন কো-অর্ডিনেশন কমিটি (এমএলএমএনসিসি)’র কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত Logo লোহাগাড়ায় ধান সংগ্রহে অনিয়ম, ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত প্রকৃত কৃষকরা Logo টেকনাফ ৩০৩ পিস ইয়াবাসহ মাদক পাচারকারী আটক Logo টেকনাফে ২১ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ Logo রামুতে ৭২ শিক্ষকের পদ শূন্য, চাপে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা Logo মুন্সীগ‌ঞ্জে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা, মোটরসাইকেলে আগুন Logo প্রেমের টানে চীন থেকে নবীনগরে চীনা যুবক, এলাকায় চাঞ্চল্য!

যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টার সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্সের সাক্ষাৎ

গণমুক্তি ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ৩২৬ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া-এঁর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স হেলেন লাফাভে (Helen LaFave) এঁর সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এই সাক্ষাৎকারে শ্রম নীতি, আইএলও লেবার রোডম্যাপ, লেবার এ্যাকশন প্ল্যান, শ্রমিক সুরক্ষা, বৈশ্বিক শ্রম নীতি, শ্রমিকদের অধিকার, মানবাধিকার, ডেমোগ্রাফি ডিভিডেন্টসহ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়।

এ সময় উপদেষ্টা বলেন, তরুণদের সাহসী বিপ্লবের ফলাফল এই নতুন বাংলাদেশ, তাদেরকে আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেসের জন্য উপযোগী করে গড়ে তোলা বা তাদের স্টার্ট-আপ প্ল্যানগুলোকে পৃষ্ঠপোষকতা করে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে বাংলাদেশ-ইউএসএ একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সঙ্গে শ্রমিকদের সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল ‘দূরত্ব’। আমরা সেই দূরত্ব সরিয়ে দিয়েছি, তাদের সুবিধা অসুবিধা আমরা সরেজমিন পরিদর্শন করে আন্তর্জাতিক শ্রম আইন অনুযায়ী সমাধান করার সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি।

উপদেষ্টা আরো বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে রাজনৈতিক সরকারের প্রভাবে ক্রীড়াঙ্গনকে ধ্বংস করা হয়েছে। ক্রীড়াঙ্গনের সকল ক্ষেত্রকে বিরাজনীতিকরণ করে যোগ্য লোক দ্বারা প্রতিটি ফেডারেশন যেনো পরিচালিত হয় সেজন্য আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

এ সময় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মহিউদ্দীন আহমেদ, ইউএসএইড এর মিশন ডাইরেক্টর রেইড অ্যাসেলিমান (Reed Aeschliman), লেবার অ্যাটাচে এর প্রধান লিনা খান, অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক কাউন্সিলর এরিক গ্যিলান, মানবাধিকার কর্মী অ্যানি ড্যহরটি (Anne Daughert) জনকূটনীতি অফিসার স্টিফেন উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টার সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্সের সাক্ষাৎ

আপডেট সময় :

 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া-এঁর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স হেলেন লাফাভে (Helen LaFave) এঁর সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এই সাক্ষাৎকারে শ্রম নীতি, আইএলও লেবার রোডম্যাপ, লেবার এ্যাকশন প্ল্যান, শ্রমিক সুরক্ষা, বৈশ্বিক শ্রম নীতি, শ্রমিকদের অধিকার, মানবাধিকার, ডেমোগ্রাফি ডিভিডেন্টসহ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়।

এ সময় উপদেষ্টা বলেন, তরুণদের সাহসী বিপ্লবের ফলাফল এই নতুন বাংলাদেশ, তাদেরকে আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেসের জন্য উপযোগী করে গড়ে তোলা বা তাদের স্টার্ট-আপ প্ল্যানগুলোকে পৃষ্ঠপোষকতা করে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে বাংলাদেশ-ইউএসএ একসঙ্গে কাজ করতে পারে।

তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সঙ্গে শ্রমিকদের সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল ‘দূরত্ব’। আমরা সেই দূরত্ব সরিয়ে দিয়েছি, তাদের সুবিধা অসুবিধা আমরা সরেজমিন পরিদর্শন করে আন্তর্জাতিক শ্রম আইন অনুযায়ী সমাধান করার সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি।

উপদেষ্টা আরো বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে রাজনৈতিক সরকারের প্রভাবে ক্রীড়াঙ্গনকে ধ্বংস করা হয়েছে। ক্রীড়াঙ্গনের সকল ক্ষেত্রকে বিরাজনীতিকরণ করে যোগ্য লোক দ্বারা প্রতিটি ফেডারেশন যেনো পরিচালিত হয় সেজন্য আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

এ সময় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মহিউদ্দীন আহমেদ, ইউএসএইড এর মিশন ডাইরেক্টর রেইড অ্যাসেলিমান (Reed Aeschliman), লেবার অ্যাটাচে এর প্রধান লিনা খান, অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক কাউন্সিলর এরিক গ্যিলান, মানবাধিকার কর্মী অ্যানি ড্যহরটি (Anne Daughert) জনকূটনীতি অফিসার স্টিফেন উপস্থিত ছিলেন।