ঢাকা ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ড: কৌশলগত অংশীদারিত্বের নতুন দিগন্ত Logo কোস্টগার্ডের মাদক বিরোধী অভিযানে  ৭৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ Logo গলাচিপা পৌরসভায় ভাতা ভোগীদের যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে জনমনে ইতিবাচক সাড়া Logo তিন দিন ব্যাপী নাটোর কানাইখালী মাঠে আম প্রদর্শনী ও ফল মেলা শুরু Logo ঝিনাইদহে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ Logo ঝিনাইদহে ছয় লেন সড়ক নির্মাণে অধিগ্রহণকৃত জমির ন্যায্য মূল্য’র দাবিতে মানববন্ধন Logo হরিণাকুণ্ডুতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সহায়তার চেক ও ফুটবল বিতরণ Logo ওয়ালটন প্লাজার দেশব্যাপী ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প, হটলাইন চালু Logo গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ডামুড্যায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo নলুয়াবাগী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আগ্রহ মুজিবুর রহমানের

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় চীন

গণমুক্তি ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ৪৯৮ বার পড়া হয়েছে

চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই'র সঙ্গে ড. ইউনূসের সাক্ষাৎ।

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বাংলাদেশের সোলার প্যানেল খাতে বিনিয়োগ করতে চায় চীন। এছাড়া ঢাকার সঙ্গে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক গভীর করতে চায় বেইজিং। বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সাইডলাইনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করে এ ঘোষণা দিয়েছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই।

অধ্যাপক ইউনূসকে ‘চীনের জনগণের পুরানো বন্ধু’ হিসেবে বর্ণনা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্ব গ্রহণের জন্য ড. ইউনূসকে অভিনন্দন জানান।

ওয়াং ই জানান, বাংলাদেশে কারখানা স্থাপনের জন্য চীনা সোলার প্যানেল প্রস্তুতকারকদের প্রতি ড. ইউনূসের আহ্বানকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে বেইজিং।

ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত গত মাসে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে এই আহ্বান জানান তিনি।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বেইজিং দুই দেশের কোম্পানির মধ্যে বৃহত্তর সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বকে উৎসাহিত করবে। বাংলাদেশ চীনের স্বল্পোন্নত দেশগুলোর পণ্য শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকেও লাভবান হবে।

ওয়াং ই আরও বলেন, চীনা রেড ক্রস জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় গুরুতর আহত হওয়া ছাত্র ও জনগণের চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকদের একটি দল পাঠিয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

এসময় ড. অধ্যাপক ইউনূস চীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শত শত কোটি মানুষকে দারিদ্র্য থেকে উত্তোলনের জন্য চীনের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, চীনা সোলার কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে আরও বড় আকারে বিনিয়োগ করতে পারে। চীনা অন্যান্য প্রস্তুতকারকদের বাংলাদেশে তাদের কারখানা স্থানান্তর করার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের ‘একটি নতুন অধ্যায়’ শুরু করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

দুই দেশের কোম্পানিগুলোর মধ্যে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাড়ানোরও আহ্বান জানান তিনি। ড. ইউনূস বলেন, আমরা চীনা কোম্পানিগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা করতে চাই। আমাদের একসঙ্গে কাজ করার অনেক সুযোগ রয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে চায় চীন

আপডেট সময় :

 

বাংলাদেশের সোলার প্যানেল খাতে বিনিয়োগ করতে চায় চীন। এছাড়া ঢাকার সঙ্গে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক গভীর করতে চায় বেইজিং। বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সাইডলাইনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করে এ ঘোষণা দিয়েছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই।

অধ্যাপক ইউনূসকে ‘চীনের জনগণের পুরানো বন্ধু’ হিসেবে বর্ণনা করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্ব গ্রহণের জন্য ড. ইউনূসকে অভিনন্দন জানান।

ওয়াং ই জানান, বাংলাদেশে কারখানা স্থাপনের জন্য চীনা সোলার প্যানেল প্রস্তুতকারকদের প্রতি ড. ইউনূসের আহ্বানকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে বেইজিং।

ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত গত মাসে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে এই আহ্বান জানান তিনি।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বেইজিং দুই দেশের কোম্পানির মধ্যে বৃহত্তর সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বকে উৎসাহিত করবে। বাংলাদেশ চীনের স্বল্পোন্নত দেশগুলোর পণ্য শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকেও লাভবান হবে।

ওয়াং ই আরও বলেন, চীনা রেড ক্রস জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় গুরুতর আহত হওয়া ছাত্র ও জনগণের চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকদের একটি দল পাঠিয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী নেওয়ার কথাও জানান তিনি।

এসময় ড. অধ্যাপক ইউনূস চীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শত শত কোটি মানুষকে দারিদ্র্য থেকে উত্তোলনের জন্য চীনের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, চীনা সোলার কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে আরও বড় আকারে বিনিয়োগ করতে পারে। চীনা অন্যান্য প্রস্তুতকারকদের বাংলাদেশে তাদের কারখানা স্থানান্তর করার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের ‘একটি নতুন অধ্যায়’ শুরু করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

দুই দেশের কোম্পানিগুলোর মধ্যে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাড়ানোরও আহ্বান জানান তিনি। ড. ইউনূস বলেন, আমরা চীনা কোম্পানিগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা করতে চাই। আমাদের একসঙ্গে কাজ করার অনেক সুযোগ রয়েছে।