ঢাকা ০৩:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হরিণাকুণ্ডুতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সহায়তার চেক ও ফুটবল বিতরণ Logo ওয়ালটন প্লাজার দেশব্যাপী ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প, হটলাইন চালু Logo গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ডামুড্যায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo নলুয়াবাগী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আগ্রহ মুজিবুর রহমানের Logo সভাপতি মোশাররফ, সম্পাদক মিজান Logo আওয়ামীলীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ঈশ্বরদীতে যুবদলের অবস্থান Logo অনিয়ম, দুর্নীতি এবং শিক্ষার মান নিয়ে অসন্তোষে অভিভাবকরা Logo দেওয়ানগঞ্জ মাদক সেবনের দায়ে একজনের কারাদন্ড Logo শেরপুরে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় আওয়ামী লীগ কর্মী গ্রেপ্তার Logo চট্টগ্রামে ভেজাল লুব অয়েল ও কাঁচামাল জব্দ করেছে কোস্টগার্ড

পলাশবাড়ীর বেতকাপা ইউনিয়নে রোহিঙ্গাদের জন্ম নিবন্ধন বিতরণ, তদন্তে প্রশাসন

শাহারুল ইসলাম, পলাশবাড়ী
  • আপডেট সময় : ১৯২ বার পড়া হয়েছে

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; module: photo; hw-remosaic: false; touch: (-1.0, -1.0); sceneMode: 2; cct_value: 0; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 205.6043; aec_lux_index: 0; albedo: ; confidence: ; motionLevel: -1; weatherinfo: null; temperature: 35;

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

পলাশবাড়ীর বেতকাপা ইউনিয়নে রোহিঙ্গাদের জন্ম নিবন্ধন দেয়ার বিষয়ে তদন্ত অনুষ্ঠিত। মিলছে না তাদের নাম ঠিকানা। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার বেতকাপা ইউনিয়নে ইতিপূর্বে প্রায় ২ হাজার লোকের নামে ভূয়া জন্ম নিবন্ধন করা হয়েছে। ওই ইউনিয়নে মিলছেনা তাদের ঠিকানা। ইতিপূর্বে এ সংক্রান্ত খবর সোস্যাল মিডিয়া সহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশের পর বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে।
এ ব্যাপারে পলাশবাড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল ইয়াসার রহমান তাপাদার-কে প্রধান করে একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়। তদন্তের দ্বিতীয় দিন ৩০ জুন সকাল ১১টায় তদন্ত টিম অত্র ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডে নিবন্ধনধারী উল্লেখিত ব্যক্তিদের নাম ও ঠিকানা প্রমাণ করার জন্য স্ব-স্ব এলাকায় লোকজনের উপস্থিতে জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কারো কোন পরিচয় মেলেনি। নিবন্ধনধারী ব্যক্তিদের নাম, পিতা ও মাতার নাম অনুযায়ী তারা রোহিঙ্গা হতে পারে বলে এলাকাবাসীর ধারণা। তবে উক্ত ইউনিয়ন থেকে এতোগুলো ভূয়া জন্ম নিবন্ধন করা হয়েছে তার দায়ভার নিচ্ছে না কেউ। তবে যে সকল ওয়ার্ড থেকে ভূয়া নিবন্ধন দেয়া হয়েছে সেই সকল ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যগণ সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবী জানিয়েছেন। ভূয়া জন্ম নিবন্ধন সম্পর্কে বেতকাপা ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তা জানান, আমি কোন ভূয়া নিবন্ধনে স্বাক্ষর করিনি। এগুলো অনলাইনে কিভাবে এন্ট্রি হলো তাও জানিনা।
এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটির আহবায়ক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল ইয়াসার রহমান তাপাদার সাংবাদিকদের জানান, আমি সরেজমিনে ৭টি জন্ম নিবন্ধনের তদন্ত করে তাদের কোন অস্তিত্ব পাইনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পলাশবাড়ীর বেতকাপা ইউনিয়নে রোহিঙ্গাদের জন্ম নিবন্ধন বিতরণ, তদন্তে প্রশাসন

আপডেট সময় :

 

পলাশবাড়ীর বেতকাপা ইউনিয়নে রোহিঙ্গাদের জন্ম নিবন্ধন দেয়ার বিষয়ে তদন্ত অনুষ্ঠিত। মিলছে না তাদের নাম ঠিকানা। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার বেতকাপা ইউনিয়নে ইতিপূর্বে প্রায় ২ হাজার লোকের নামে ভূয়া জন্ম নিবন্ধন করা হয়েছে। ওই ইউনিয়নে মিলছেনা তাদের ঠিকানা। ইতিপূর্বে এ সংক্রান্ত খবর সোস্যাল মিডিয়া সহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশের পর বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে।
এ ব্যাপারে পলাশবাড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল ইয়াসার রহমান তাপাদার-কে প্রধান করে একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়। তদন্তের দ্বিতীয় দিন ৩০ জুন সকাল ১১টায় তদন্ত টিম অত্র ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডে নিবন্ধনধারী উল্লেখিত ব্যক্তিদের নাম ও ঠিকানা প্রমাণ করার জন্য স্ব-স্ব এলাকায় লোকজনের উপস্থিতে জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কারো কোন পরিচয় মেলেনি। নিবন্ধনধারী ব্যক্তিদের নাম, পিতা ও মাতার নাম অনুযায়ী তারা রোহিঙ্গা হতে পারে বলে এলাকাবাসীর ধারণা। তবে উক্ত ইউনিয়ন থেকে এতোগুলো ভূয়া জন্ম নিবন্ধন করা হয়েছে তার দায়ভার নিচ্ছে না কেউ। তবে যে সকল ওয়ার্ড থেকে ভূয়া নিবন্ধন দেয়া হয়েছে সেই সকল ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যগণ সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবী জানিয়েছেন। ভূয়া জন্ম নিবন্ধন সম্পর্কে বেতকাপা ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তা জানান, আমি কোন ভূয়া নিবন্ধনে স্বাক্ষর করিনি। এগুলো অনলাইনে কিভাবে এন্ট্রি হলো তাও জানিনা।
এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটির আহবায়ক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল ইয়াসার রহমান তাপাদার সাংবাদিকদের জানান, আমি সরেজমিনে ৭টি জন্ম নিবন্ধনের তদন্ত করে তাদের কোন অস্তিত্ব পাইনি।