ঢাকা ০১:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ড: কৌশলগত অংশীদারিত্বের নতুন দিগন্ত Logo কোস্টগার্ডের মাদক বিরোধী অভিযানে  ৭৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ Logo গলাচিপা পৌরসভায় ভাতা ভোগীদের যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে জনমনে ইতিবাচক সাড়া Logo তিন দিন ব্যাপী নাটোর কানাইখালী মাঠে আম প্রদর্শনী ও ফল মেলা শুরু Logo ঝিনাইদহে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ Logo ঝিনাইদহে ছয় লেন সড়ক নির্মাণে অধিগ্রহণকৃত জমির ন্যায্য মূল্য’র দাবিতে মানববন্ধন Logo হরিণাকুণ্ডুতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সহায়তার চেক ও ফুটবল বিতরণ Logo ওয়ালটন প্লাজার দেশব্যাপী ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প, হটলাইন চালু Logo গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ডামুড্যায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo নলুয়াবাগী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আগ্রহ মুজিবুর রহমানের

২৯ এপ্রিল ব্যাংকক সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

গণমুক্তি রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ৫৬২ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

ইউএনএসকাপের ৮০ তম অধিবেশনেও যোগ দিতে ২৯ এপ্রিল ব্যাংকক সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২৪ থেকে ২৯ এপ্রিল থাইল্যান্ডে এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।

পাঁচ দিনের সফরে বুধবার (২৪ এপ্রিল) থাইল্যান্ডে রওনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলে কয়েকজন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন থাকার কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

সফর উপলক্ষে সোমবার (২২ এপ্রিল) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে দুই দেশের মধ্যে পাচঁটি দলিলে সই হওয়ার সম্ভাবনা আছে। সেগুলোর মধ্যে একটি চুক্তি, তিনটি সমঝোতা স্মারক এবং একটি আগ্রহপত্র।

চুক্তিটি হচ্ছে অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা অব্যাহতি সংক্রান্ত। এছাড়া জ্বালানি সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক; পর্যটন সহযোগিতা সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক; এবং শুল্ক সংক্রান্ত পারস্পরিক সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক হতে পারে।

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা শুরু করার জন্য একটি সম্মতিপত্র সই করতে সম্মত হয়েছে দুই পক্ষ।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই সফরের মাধ্যমে উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ বিশেষত বিনিয়োগ, পর্যটন, জ্বালানি, স্থল ও সমুদ্র সংযোগ, উন্নয়ন প্রভৃতি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ড পর্যটন খাতের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে মানবসম্পদ উন্নয়ন, বৌদ্ধ সার্কিট পর্যটন প্রচারণা, পর্যটন অঞ্চলগুলোতে বিনিয়োগ প্রভৃতি ক্ষেত্রে যৌথ কার্যক্রম ও দক্ষতা বিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সুবিধা অর্জন করতে পারবে। পর্যটন শিল্পে এই সহযোগিতার ফলে উভয় দেশে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

২৯ এপ্রিল ব্যাংকক সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় :

 

ইউএনএসকাপের ৮০ তম অধিবেশনেও যোগ দিতে ২৯ এপ্রিল ব্যাংকক সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২৪ থেকে ২৯ এপ্রিল থাইল্যান্ডে এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।

পাঁচ দিনের সফরে বুধবার (২৪ এপ্রিল) থাইল্যান্ডে রওনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলে কয়েকজন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন থাকার কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

সফর উপলক্ষে সোমবার (২২ এপ্রিল) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে দুই দেশের মধ্যে পাচঁটি দলিলে সই হওয়ার সম্ভাবনা আছে। সেগুলোর মধ্যে একটি চুক্তি, তিনটি সমঝোতা স্মারক এবং একটি আগ্রহপত্র।

চুক্তিটি হচ্ছে অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা অব্যাহতি সংক্রান্ত। এছাড়া জ্বালানি সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক; পর্যটন সহযোগিতা সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক; এবং শুল্ক সংক্রান্ত পারস্পরিক সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক হতে পারে।

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা শুরু করার জন্য একটি সম্মতিপত্র সই করতে সম্মত হয়েছে দুই পক্ষ।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই সফরের মাধ্যমে উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ বিশেষত বিনিয়োগ, পর্যটন, জ্বালানি, স্থল ও সমুদ্র সংযোগ, উন্নয়ন প্রভৃতি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ড পর্যটন খাতের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে মানবসম্পদ উন্নয়ন, বৌদ্ধ সার্কিট পর্যটন প্রচারণা, পর্যটন অঞ্চলগুলোতে বিনিয়োগ প্রভৃতি ক্ষেত্রে যৌথ কার্যক্রম ও দক্ষতা বিনিময়ের মাধ্যমে পারস্পরিক সুবিধা অর্জন করতে পারবে। পর্যটন শিল্পে এই সহযোগিতার ফলে উভয় দেশে উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।