ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কোস্টগার্ডের মাদক বিরোধী অভিযানে  ৭৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ Logo গলাচিপা পৌরসভায় ভাতা ভোগীদের যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে জনমনে ইতিবাচক সাড়া Logo তিন দিন ব্যাপী নাটোর কানাইখালী মাঠে আম প্রদর্শনী ও ফল মেলা শুরু Logo ঝিনাইদহে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ Logo ঝিনাইদহে ছয় লেন সড়ক নির্মাণে অধিগ্রহণকৃত জমির ন্যায্য মূল্য’র দাবিতে মানববন্ধন Logo হরিণাকুণ্ডুতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সহায়তার চেক ও ফুটবল বিতরণ Logo ওয়ালটন প্লাজার দেশব্যাপী ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প, হটলাইন চালু Logo গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ডামুড্যায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo নলুয়াবাগী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আগ্রহ মুজিবুর রহমানের Logo সভাপতি মোশাররফ, সম্পাদক মিজান

আটাবে সক্রিয় স্বৈরাচারের দোসর সিন্ডিকেট

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ৮৭৫ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দুটি বলয়ের দৌরাত্ম, বিপর্যয়ে ট্রাভেল এজেন্সি খাত

গত কয়েক মাস ধরে অস্থিরতা বিরাজ করছেন পর্যটন খাতের ব্যবসায়ী অঙ্গনে। পতিত শেখ হাসিনার সরকারের দোসরদেও সিন্ডিকেটের কারণে বন্ধ হতে বসেছে এ খাতের ৫ হাজারেরও অধিক ট্রাভেল এজেন্সি। যা নিয়ে ট্রাভেল ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নেয়া না হলেও পুরো খাতটি বিপর্যয়ের মধ্য পড়বে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা। ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসর আটাব সভাপতি আবদুস সালাম আরেফ ও মহাসচিব আফসিয়া জান্নাত সালেহ এর নেতৃত্বাধীন আটাবের বিতর্কিত কমিটি বাতিল করে দ্রুত আটাবে প্রশাসক নিয়োগ করার দাবি জানিয়েছেন তারা। মূলত ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসায় বর্তমানে দুটি বলয় সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে আটাব সভাপতি আবদুস সালাম আরেফ ও মহাসচিব আফসিয়া জান্নাত সালেহ এর নেতৃত্বাধীন একটি বলয়, যারা গত সরকারের দোসর হিসেবে পরিচিত। আরেক টি বলয় রয়েছে আটাব সংস্কার পরিষদের আহ্বায়ক ও মঈন ট্রাভেলসের স্বত্বাধিকারী মো. গোফরান চৌধুরীর নেতৃত্বে, যারা বিএনপি-জামায়াত পন্থী হিসেবে পরিচিত। দুটি বলয়ের পরস্পর বিরোধী অভিযোগ আর তৎপরতায় কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার। যার ফলশ্রুতিতে বন্ধ হতে বসেছে এ খাতের ৫ হাজারেরও অধিক ট্রাভেল এজেন্সি। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব) সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পতিত স্বৈরাচার সরকারের দোসর। কিন্তু ঐ সরকারের পতনের পরও তারা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছে। শুধু বহাল নয়, একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিএনপি-জামায়াত পন্থী ব্যবসায়ীদের হয়রানি করছেন। এমনকি স্বৈরাচার হাসিনার পতনের পর হাসিনাকে বাংলাদেশে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করার যে ষড়যন্ত্র হচ্ছে তা বাস্তবায়ন করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তারা। যার কারণে আটাবের বিতর্কিত কমিটি বাতিল করে দ্রুত আটাবে প্রশাসক নিয়োগ করে পরবর্তী কার্যক্রম চালানোর জন্য আটাব সংস্কার পরিষদের আহ্বায়ক ও মঈন ট্রাভেলসের স্বত্বাধিকারী মো. গোফরান চৌধুরী মন্ত্রনালয়ের অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে বলা হয়, বর্তমান আটাব কমিটির সভাপতি আবদুস সালাম আরেফ ও মহাসচিব মিসেস আফসিয়া জান্নাত সালেহসহ প্রায় সকলেই আওয়ামী লীগপন্থী। স্বৈরাচার হাসিনার পতনের পরও তারা আটাব কমিটিতে নির্বিঘ্নে রয়েছে এবং বিভিন্নভাবে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে যাচ্ছে। তারা আটাব অনলাইন নামক একটি (ওটিএ-অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি) প্রতিষ্ঠা করে যা বাণিজ্য সংঘ বিধি ও আটাব সদস্যদের স্বার্থের পরিপন্থী। আটাব অনলাইনকে ব্যবহার করে আবদুস সালাম আরেফের মালিকানাধীন ট্রাভেল এজেন্সি এয়ার স্পিড (প্রাঃ) লিঃ এবং মহাসচিব আফসিয়া জান্নাত সালেহ এর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান সায়মন ওভারসীজের নামে চেক ইস্যু করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে আটাব অনলাইনকে বিলুপ্ত ঘোষণা করেছেন। তারা শেয়ারহোল্ডারদের কোনো টাকা ফেরত দেয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

আটাবে সক্রিয় স্বৈরাচারের দোসর সিন্ডিকেট

আপডেট সময় :

দুটি বলয়ের দৌরাত্ম, বিপর্যয়ে ট্রাভেল এজেন্সি খাত

গত কয়েক মাস ধরে অস্থিরতা বিরাজ করছেন পর্যটন খাতের ব্যবসায়ী অঙ্গনে। পতিত শেখ হাসিনার সরকারের দোসরদেও সিন্ডিকেটের কারণে বন্ধ হতে বসেছে এ খাতের ৫ হাজারেরও অধিক ট্রাভেল এজেন্সি। যা নিয়ে ট্রাভেল ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নেয়া না হলেও পুরো খাতটি বিপর্যয়ের মধ্য পড়বে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা। ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসর আটাব সভাপতি আবদুস সালাম আরেফ ও মহাসচিব আফসিয়া জান্নাত সালেহ এর নেতৃত্বাধীন আটাবের বিতর্কিত কমিটি বাতিল করে দ্রুত আটাবে প্রশাসক নিয়োগ করার দাবি জানিয়েছেন তারা। মূলত ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসায় বর্তমানে দুটি বলয় সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে আটাব সভাপতি আবদুস সালাম আরেফ ও মহাসচিব আফসিয়া জান্নাত সালেহ এর নেতৃত্বাধীন একটি বলয়, যারা গত সরকারের দোসর হিসেবে পরিচিত। আরেক টি বলয় রয়েছে আটাব সংস্কার পরিষদের আহ্বায়ক ও মঈন ট্রাভেলসের স্বত্বাধিকারী মো. গোফরান চৌধুরীর নেতৃত্বে, যারা বিএনপি-জামায়াত পন্থী হিসেবে পরিচিত। দুটি বলয়ের পরস্পর বিরোধী অভিযোগ আর তৎপরতায় কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার। যার ফলশ্রুতিতে বন্ধ হতে বসেছে এ খাতের ৫ হাজারেরও অধিক ট্রাভেল এজেন্সি। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (আটাব) সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পতিত স্বৈরাচার সরকারের দোসর। কিন্তু ঐ সরকারের পতনের পরও তারা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছে। শুধু বহাল নয়, একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বিএনপি-জামায়াত পন্থী ব্যবসায়ীদের হয়রানি করছেন। এমনকি স্বৈরাচার হাসিনার পতনের পর হাসিনাকে বাংলাদেশে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করার যে ষড়যন্ত্র হচ্ছে তা বাস্তবায়ন করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তারা। যার কারণে আটাবের বিতর্কিত কমিটি বাতিল করে দ্রুত আটাবে প্রশাসক নিয়োগ করে পরবর্তী কার্যক্রম চালানোর জন্য আটাব সংস্কার পরিষদের আহ্বায়ক ও মঈন ট্রাভেলসের স্বত্বাধিকারী মো. গোফরান চৌধুরী মন্ত্রনালয়ের অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে বলা হয়, বর্তমান আটাব কমিটির সভাপতি আবদুস সালাম আরেফ ও মহাসচিব মিসেস আফসিয়া জান্নাত সালেহসহ প্রায় সকলেই আওয়ামী লীগপন্থী। স্বৈরাচার হাসিনার পতনের পরও তারা আটাব কমিটিতে নির্বিঘ্নে রয়েছে এবং বিভিন্নভাবে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে যাচ্ছে। তারা আটাব অনলাইন নামক একটি (ওটিএ-অনলাইন ট্রাভেল এজেন্সি) প্রতিষ্ঠা করে যা বাণিজ্য সংঘ বিধি ও আটাব সদস্যদের স্বার্থের পরিপন্থী। আটাব অনলাইনকে ব্যবহার করে আবদুস সালাম আরেফের মালিকানাধীন ট্রাভেল এজেন্সি এয়ার স্পিড (প্রাঃ) লিঃ এবং মহাসচিব আফসিয়া জান্নাত সালেহ এর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান সায়মন ওভারসীজের নামে চেক ইস্যু করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে আটাব অনলাইনকে বিলুপ্ত ঘোষণা করেছেন। তারা শেয়ারহোল্ডারদের কোনো টাকা ফেরত দেয়নি।