ঢাকা ০৩:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বলাৎকারের খবর প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের নামে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের মামলা Logo তারাকান্দায় ফখরুদ্দিন হত্যার জেরে ধরে বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট Logo ডামুড্যায় ২ শত বছরের ঐতিহ্য ধরে রেখে মাছ ধরা উৎসব পালিত Logo কুড়িগ্রামে জ্বালানি সংকট, তেলের জন্য ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন Logo ফুলপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে বিপুল পরিমাণ পেট্রোল ও ডিজেল জব্দ Logo শম্ভুগঞ্জ বাজারে সেড নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস প্রশাসকের Logo গাইবান্ধায় ঔষধ ব্যবসায়ীদের ৪ দফা দাবিতে মানববন্ধন Logo আন্তর্জাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবসে যশোরে দলিতদের মানববন্ধন Logo টেকনাফে ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচন, গ্রেফতার ২ Logo মহাদেবপুরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে স্ত্রীর মৃত্যু, স্বামী আটক

রোববার গণমিছিল কর্মসূচি ঘোষণা

গণমুক্তি ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ৩৩৫ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

রোববারের (৪ আগস্ট) মধ্যে আটকদের মুক্তি দিতে এবং সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। শুক্রবার (২ অগস্ট) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ছাত্র-জনতার
বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে রোববার গণমিছিল কর্মসূচি ঘোষণা করেন তারা।

এর আগে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন ঘিরে হতাহতের ঘটনায় দায়ীদের বিচারের দাবিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করেন ছাত্র-জনতা, শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ।

প্রায় দুই ঘণ্টা বিক্ষোভ শেষে এদিন সাড়ে ৫টার দিকে কর্মসূচি শেষ করে শহীদ মিনার এলাকা ত্যাগ করেন আন্দোলনকারীরা।

নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি রাগীব নাঈম। তিনি বলেন, গণগ্রেফতার বন্ধ করতে হবে, গ্রেফতার সবাইকে মুক্তি দিতে হবে। রোববারের মধ্যে কারফিউ তুলে নিতে হবে। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে হবে। রোববারের মধ্যে সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে।

এসব দাবি পূরণ না হলে রোববার দুপুর তিনটায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে গণমিছিল শুরু হবে।

শুক্রবার বেলা আড়াইটার নাগাদ দ্রোহযাত্রায় অংশ নিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে উপস্থিত হতে থাকেন আন্দোলনকারীরা। তাদের মধ্যে ছিলেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মীরা। সেখান থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার অভিমুখে দ্রোহযাত্রা শুরু করেন তারা।

এসময় অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করবো। আমাদের আন্দোলনের মধ্যে কেউ যেন বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে না পারেন। আমরা স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছি। আজ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, নারী-পুরুষ একত্রিত হয়েছেন। আমাদের দেশকে মুক্ত করতে হবে।

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আর কাউকে ব্যবসা করতে দেওয়া যাবে না। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে জনতার হাতে আনতে হবে। যারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল তাদের বিচার করতে হবে। এ হত্যাকাণ্ডের দায় শিকার করে সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। আমাদের প্রধান আলোচ্য বিষয়, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনত হবে।

এর আগে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ নানান ধরনের স্লোগান দেন। এসময় তারা গানের মাধ্যমেও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। স্লোগানে তারা বলেন, আমার ভাই মরলো কেন, স্বৈরাচার জবাব চাই।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রোববার গণমিছিল কর্মসূচি ঘোষণা

আপডেট সময় :

 

রোববারের (৪ আগস্ট) মধ্যে আটকদের মুক্তি দিতে এবং সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। শুক্রবার (২ অগস্ট) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ছাত্র-জনতার
বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে রোববার গণমিছিল কর্মসূচি ঘোষণা করেন তারা।

এর আগে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন ঘিরে হতাহতের ঘটনায় দায়ীদের বিচারের দাবিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করেন ছাত্র-জনতা, শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ।

প্রায় দুই ঘণ্টা বিক্ষোভ শেষে এদিন সাড়ে ৫টার দিকে কর্মসূচি শেষ করে শহীদ মিনার এলাকা ত্যাগ করেন আন্দোলনকারীরা।

নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি রাগীব নাঈম। তিনি বলেন, গণগ্রেফতার বন্ধ করতে হবে, গ্রেফতার সবাইকে মুক্তি দিতে হবে। রোববারের মধ্যে কারফিউ তুলে নিতে হবে। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে হবে। রোববারের মধ্যে সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে।

এসব দাবি পূরণ না হলে রোববার দুপুর তিনটায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে গণমিছিল শুরু হবে।

শুক্রবার বেলা আড়াইটার নাগাদ দ্রোহযাত্রায় অংশ নিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে উপস্থিত হতে থাকেন আন্দোলনকারীরা। তাদের মধ্যে ছিলেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মীরা। সেখান থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার অভিমুখে দ্রোহযাত্রা শুরু করেন তারা।

এসময় অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করবো। আমাদের আন্দোলনের মধ্যে কেউ যেন বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে না পারেন। আমরা স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছি। আজ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, নারী-পুরুষ একত্রিত হয়েছেন। আমাদের দেশকে মুক্ত করতে হবে।

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আর কাউকে ব্যবসা করতে দেওয়া যাবে না। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে জনতার হাতে আনতে হবে। যারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল তাদের বিচার করতে হবে। এ হত্যাকাণ্ডের দায় শিকার করে সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। আমাদের প্রধান আলোচ্য বিষয়, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনত হবে।

এর আগে শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ নানান ধরনের স্লোগান দেন। এসময় তারা গানের মাধ্যমেও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। স্লোগানে তারা বলেন, আমার ভাই মরলো কেন, স্বৈরাচার জবাব চাই।