ঢাকা ০৩:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ড: কৌশলগত অংশীদারিত্বের নতুন দিগন্ত Logo কোস্টগার্ডের মাদক বিরোধী অভিযানে  ৭৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ Logo গলাচিপা পৌরসভায় ভাতা ভোগীদের যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে জনমনে ইতিবাচক সাড়া Logo তিন দিন ব্যাপী নাটোর কানাইখালী মাঠে আম প্রদর্শনী ও ফল মেলা শুরু Logo ঝিনাইদহে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ Logo ঝিনাইদহে ছয় লেন সড়ক নির্মাণে অধিগ্রহণকৃত জমির ন্যায্য মূল্য’র দাবিতে মানববন্ধন Logo হরিণাকুণ্ডুতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সহায়তার চেক ও ফুটবল বিতরণ Logo ওয়ালটন প্লাজার দেশব্যাপী ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প, হটলাইন চালু Logo গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ডামুড্যায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo নলুয়াবাগী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আগ্রহ মুজিবুর রহমানের

থাইল্যান্ড গুরুত্বপূর্ণ ও গতিশীল অংশীদার: শেখ হাসিনা

গণমুক্তি ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ৩৮১ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গার্ড অব অনার জানায় থাইল্যান্ডের সশস্ত্র বাহিনী। ছবি: সংগৃহীত

দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

থাইল্যান্ডের সঙ্গে ৫ সমঝোতা ও চুক্তি সই

নিকটতম প্রতিবেশী থাইল্যান্ডকে ‘গুরুত্বপূর্ণ ও গতিশীল’ অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশ দেখে বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের সম্পর্ক রয়েছে এবং ভাষাগত ও অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যও গভীরে প্রোথিত।

শুক্রবার থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে গভর্নমেন্ট হাউজে দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

থাইল্যান্ডকে বাংলাদেশের একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ছেড়ে দেওয়া হবে। বিনিয়োগের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে হাইটেকপার্কে। চলতি বছরই থাইল্যান্ড-বাংলাদেশ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের কথা জানালেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা ৬ দিনের সফরে থাইল্যান্ড রয়েছেন। সফরকালে শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) থাইল্যান্ড-বাংলাদেশের মধ্যে একটি চুক্তি, তিনটি সমঝোতা স্মারক, একটি লেটার অব ইনটেন্ট বা অভিপ্রায়পত্রসহ পাঁচটি কূটনৈতিক দলিল স্বাক্ষর হয়েছে।

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে এসব দলিলে সই করেন সংশ্লিষ্টরা। এর পর দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আসেন।


প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় গভর্নমেন্ট হাউসে পৌঁছালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্বাগত জানান।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে থাই প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন অভ্যর্থনা জানান এবং এরপর সেখানে থাই কুহ ফাহ ভবনের সামনের উন্মুক্ত স্থানে তাকে উষ্ণ লাল গালিচা সংবর্ধনা জানানো হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গার্ড অব অনার জানায় দেশটির সশস্ত্র বাহিনী। এরপর থাই প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসেন শেখ হাসিনা। বৈঠকে বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।


বৈঠক শেষে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের কাছে থাইল্যান্ড একটি সম্ভাবনাময় অংশীদার। দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের সরাসরি সমুদ্রবন্দর কেন্দ্রিক যোগাযোগের চেষ্টা করছে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য থাইল্যান্ডের সহযোগিতা চেয়েছেন বলেও জানান শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।

থাই প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনের আমন্ত্রণে ছয় দিনের সরকারি সফরে ২৪ এপ্রিল থাইল্যান্ডে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

থাইল্যান্ড গুরুত্বপূর্ণ ও গতিশীল অংশীদার: শেখ হাসিনা

আপডেট সময় :

 

থাইল্যান্ডের সঙ্গে ৫ সমঝোতা ও চুক্তি সই

নিকটতম প্রতিবেশী থাইল্যান্ডকে ‘গুরুত্বপূর্ণ ও গতিশীল’ অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশ দেখে বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের সম্পর্ক রয়েছে এবং ভাষাগত ও অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যও গভীরে প্রোথিত।

শুক্রবার থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে গভর্নমেন্ট হাউজে দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

থাইল্যান্ডকে বাংলাদেশের একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ছেড়ে দেওয়া হবে। বিনিয়োগের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে হাইটেকপার্কে। চলতি বছরই থাইল্যান্ড-বাংলাদেশ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের কথা জানালেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা ৬ দিনের সফরে থাইল্যান্ড রয়েছেন। সফরকালে শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) থাইল্যান্ড-বাংলাদেশের মধ্যে একটি চুক্তি, তিনটি সমঝোতা স্মারক, একটি লেটার অব ইনটেন্ট বা অভিপ্রায়পত্রসহ পাঁচটি কূটনৈতিক দলিল স্বাক্ষর হয়েছে।

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে এসব দলিলে সই করেন সংশ্লিষ্টরা। এর পর দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আসেন।


প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় গভর্নমেন্ট হাউসে পৌঁছালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্বাগত জানান।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে থাই প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন অভ্যর্থনা জানান এবং এরপর সেখানে থাই কুহ ফাহ ভবনের সামনের উন্মুক্ত স্থানে তাকে উষ্ণ লাল গালিচা সংবর্ধনা জানানো হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গার্ড অব অনার জানায় দেশটির সশস্ত্র বাহিনী। এরপর থাই প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসেন শেখ হাসিনা। বৈঠকে বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।


বৈঠক শেষে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের কাছে থাইল্যান্ড একটি সম্ভাবনাময় অংশীদার। দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের সরাসরি সমুদ্রবন্দর কেন্দ্রিক যোগাযোগের চেষ্টা করছে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য থাইল্যান্ডের সহযোগিতা চেয়েছেন বলেও জানান শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।

থাই প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিনের আমন্ত্রণে ছয় দিনের সরকারি সফরে ২৪ এপ্রিল থাইল্যান্ডে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।