ঢাকা ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ড: কৌশলগত অংশীদারিত্বের নতুন দিগন্ত Logo কোস্টগার্ডের মাদক বিরোধী অভিযানে  ৭৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ Logo গলাচিপা পৌরসভায় ভাতা ভোগীদের যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে জনমনে ইতিবাচক সাড়া Logo তিন দিন ব্যাপী নাটোর কানাইখালী মাঠে আম প্রদর্শনী ও ফল মেলা শুরু Logo ঝিনাইদহে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ Logo ঝিনাইদহে ছয় লেন সড়ক নির্মাণে অধিগ্রহণকৃত জমির ন্যায্য মূল্য’র দাবিতে মানববন্ধন Logo হরিণাকুণ্ডুতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সহায়তার চেক ও ফুটবল বিতরণ Logo ওয়ালটন প্লাজার দেশব্যাপী ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প, হটলাইন চালু Logo গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ডামুড্যায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo নলুয়াবাগী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আগ্রহ মুজিবুর রহমানের

পাচারকালে ১টি হনুমান ও ১২টি কচ্ছপসহ আটক ১

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ৫৪ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় পাচারকালে বিলুপ্ত প্রজাতির ১টি মূখপোড়া হণুমান ও ১২টি কচ্ছপসহ মোঃ হাদিস রহমান নামক ১পাচারকারীকে আটক করেছে বনবিভাগ।
গতকাল সোমবার বন্যপ্রাণী ব্যবস্হাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ চট্টগ্রামের চুনতি বনরেন্জ কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান শেখের নেতৃত্বে বনবিভাগের একটি দল অভিযান চালিয়ে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ভাঙ্গারমূখ বাজার নামক এলাকা থেকে এসব বন্যপ্রাণী সহ তাকে আটক করা হয়।
আটক হাদিস রহমান(৪০)ঢাকা জেলার মীরপুর -১১ রোড নং-৩ কাঁচাবাজার সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা সুলতান মিয়ার পুত্র।
বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়,দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধচক্র বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী বনাঞ্চল থেকে গোপনে সংগ্রহ করে ঢাকা সহ দেশের বিভিন্নপ্রান্হে চালান করে।
অভিযানসূত্রে আরো জানা যায়,পাচারের উদ্দেশ্যে কক্সবাজারে চকরিয়া উপজেলার একটি বাড়িতে বেশ কিছু বন্যপ্রাণী মজুদ করা হয়েছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সে বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আটক বন্যপ্রাণী সহ তাকে আটক করা হয়।
আটকের বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে চুনতী বন্যপ্রাণী ও অভয়ারন্য রেন্জ কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান শেখ জানান,
আটক হাদিস রহমানের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন,২০২৬ এর ১০(১) এবং (৪) ৪১(৩) ধারায় মামলা দায়ের করে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
বন্যপ্রাণী ব্যবস্হাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষন চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবু নাছের মোহাম্মদ ইয়াসিন নেওয়াজ বলেন,বাংলাদেশে বন্যপ্রাণী শিকার, হত্যা, আটক, ক্রয়-বিক্রয় ও পাচার দণ্ডনীয় অপরাধ।
অপরাধের ধরন ও সংশ্লিষ্ট প্রাণীর গুরুত্ব অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১২ বছর কারাদণ্ড এবং ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে
একটি সংঘবদ্ধ ও শক্তিশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন বন থেকে অবৈধভাবে বন্যপ্রাণী সংগ্রহ করে ঢাকা হয়ে দেশের বিভিন্নপ্রান্হে পাচার করে আসছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

পাচারকালে ১টি হনুমান ও ১২টি কচ্ছপসহ আটক ১

আপডেট সময় :

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় পাচারকালে বিলুপ্ত প্রজাতির ১টি মূখপোড়া হণুমান ও ১২টি কচ্ছপসহ মোঃ হাদিস রহমান নামক ১পাচারকারীকে আটক করেছে বনবিভাগ।
গতকাল সোমবার বন্যপ্রাণী ব্যবস্হাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ চট্টগ্রামের চুনতি বনরেন্জ কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান শেখের নেতৃত্বে বনবিভাগের একটি দল অভিযান চালিয়ে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ভাঙ্গারমূখ বাজার নামক এলাকা থেকে এসব বন্যপ্রাণী সহ তাকে আটক করা হয়।
আটক হাদিস রহমান(৪০)ঢাকা জেলার মীরপুর -১১ রোড নং-৩ কাঁচাবাজার সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা সুলতান মিয়ার পুত্র।
বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়,দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধচক্র বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী বনাঞ্চল থেকে গোপনে সংগ্রহ করে ঢাকা সহ দেশের বিভিন্নপ্রান্হে চালান করে।
অভিযানসূত্রে আরো জানা যায়,পাচারের উদ্দেশ্যে কক্সবাজারে চকরিয়া উপজেলার একটি বাড়িতে বেশ কিছু বন্যপ্রাণী মজুদ করা হয়েছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে সে বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আটক বন্যপ্রাণী সহ তাকে আটক করা হয়।
আটকের বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে চুনতী বন্যপ্রাণী ও অভয়ারন্য রেন্জ কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান শেখ জানান,
আটক হাদিস রহমানের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন,২০২৬ এর ১০(১) এবং (৪) ৪১(৩) ধারায় মামলা দায়ের করে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
বন্যপ্রাণী ব্যবস্হাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষন চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবু নাছের মোহাম্মদ ইয়াসিন নেওয়াজ বলেন,বাংলাদেশে বন্যপ্রাণী শিকার, হত্যা, আটক, ক্রয়-বিক্রয় ও পাচার দণ্ডনীয় অপরাধ।
অপরাধের ধরন ও সংশ্লিষ্ট প্রাণীর গুরুত্ব অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১২ বছর কারাদণ্ড এবং ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে
একটি সংঘবদ্ধ ও শক্তিশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন বন থেকে অবৈধভাবে বন্যপ্রাণী সংগ্রহ করে ঢাকা হয়ে দেশের বিভিন্নপ্রান্হে পাচার করে আসছে।