ঢাকা ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ‘খেলাধুলাই পারে সীমান্তের দেয়াল ভাঙতে’: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক Logo ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন ঠেকাতে চিলমারী রক্ষার দাবি, চরবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আহ্বান Logo ‘সমাজের নিকৃষ্ট মানুষ আওয়ামী লীগ করে’—সিরাজগঞ্জে মন্ত্রী টুকু Logo সুবর্ণচরে মৎস্য প্রজেক্ট দখল ও মাছ লুটের অভিযোগ, মানববন্ধনে বাধার দাবি Logo বৈরী আবহাওয়ায় সমুদ্রে না যাওয়ার আহ্বান কোস্টগার্ডের Logo বন্ধ পাটকল ও টেক্সটাইল মিল চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী Logo কাঁঠালিয়ায় মামলা তুলে নিতে হুমকির অভিযোগ, থানায় জিডি Logo নোয়াখালীতে ট্রাকের ধাক্কায় কৃষি কর্মকর্তা নিহত Logo ঘাটাইলে মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক র‍্যালি Logo জনবল সংকট ও দালালচক্রে শিবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের ভোগান্তি

কাঁঠালিয়ায় মামলা তুলে নিতে হুমকির অভিযোগ, থানায় জিডি

কাঁঠালিয়া (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ২৯ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের মামলার বাদীকে মামলা তুলে নিতে হুমকি ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে উপজেলার চেঁচরী রামপুর ইউনিয়নের পশ্চিম চেঁচরী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরদিন শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে মামলার বাদী সারমিন বেগম কাঁঠালিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-৯০৬) করেন।

জিডি সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পশ্চিম চেঁচরী গ্রামের আবদুস ছত্তার কাজীর সঙ্গে একই এলাকার বাসিন্দা ও ঢাকায় ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান খানের জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এ বিরোধের জেরে গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর ভোরে মিজানুর রহমানের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় দুই লাখ টাকার বিভিন্ন প্রজাতির মাছ নিধনের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় সারমিন বেগম বাদী হয়ে আবদুস ছত্তার কাজী, তার ছেলে জিয়া কাজীসহ কয়েকজনকে আসামি করে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইনে মামলা করেন। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন।

অভিযোগে বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে আসামিপক্ষ স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে বাদীপক্ষের আইনজীবী তার বিরোধিতা করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বিকেলে আসামিপক্ষের লোকজন সারমিন বেগমকে মামলা তুলে নিতে চাপ দেন। তিনি রাজি না হলে তাকে ও তার মা আমিরোন নেছাকে মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আবদুস ছত্তার কাজীর ছেলে ও বিজিবি সদস্য শহীদুল ইসলাম জিলু কাজী বলেন, “বৃহস্পতিবার বিকেলে সারমিন বেগমের ছেলে সিফাত ফরাজী মোবাইল ফোনে আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।”

কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাছের রায়হান বলেন, সারমিন বেগমের করা সাধারণ ডায়েরি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কাঁঠালিয়ায় মামলা তুলে নিতে হুমকির অভিযোগ, থানায় জিডি

আপডেট সময় :

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ নিধনের মামলার বাদীকে মামলা তুলে নিতে হুমকি ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে উপজেলার চেঁচরী রামপুর ইউনিয়নের পশ্চিম চেঁচরী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরদিন শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে মামলার বাদী সারমিন বেগম কাঁঠালিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-৯০৬) করেন।

জিডি সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পশ্চিম চেঁচরী গ্রামের আবদুস ছত্তার কাজীর সঙ্গে একই এলাকার বাসিন্দা ও ঢাকায় ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান খানের জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এ বিরোধের জেরে গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর ভোরে মিজানুর রহমানের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় দুই লাখ টাকার বিভিন্ন প্রজাতির মাছ নিধনের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় সারমিন বেগম বাদী হয়ে আবদুস ছত্তার কাজী, তার ছেলে জিয়া কাজীসহ কয়েকজনকে আসামি করে মৎস্য সুরক্ষা ও সংরক্ষণ আইনে মামলা করেন। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন।

অভিযোগে বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে আসামিপক্ষ স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে বাদীপক্ষের আইনজীবী তার বিরোধিতা করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বিকেলে আসামিপক্ষের লোকজন সারমিন বেগমকে মামলা তুলে নিতে চাপ দেন। তিনি রাজি না হলে তাকে ও তার মা আমিরোন নেছাকে মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আবদুস ছত্তার কাজীর ছেলে ও বিজিবি সদস্য শহীদুল ইসলাম জিলু কাজী বলেন, “বৃহস্পতিবার বিকেলে সারমিন বেগমের ছেলে সিফাত ফরাজী মোবাইল ফোনে আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।”

কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাছের রায়হান বলেন, সারমিন বেগমের করা সাধারণ ডায়েরি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।