ঢাকা ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ‘খেলাধুলাই পারে সীমান্তের দেয়াল ভাঙতে’: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক Logo ব্রহ্মপুত্রের ভাঙন ঠেকাতে চিলমারী রক্ষার দাবি, চরবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আহ্বান Logo ‘সমাজের নিকৃষ্ট মানুষ আওয়ামী লীগ করে’—সিরাজগঞ্জে মন্ত্রী টুকু Logo সুবর্ণচরে মৎস্য প্রজেক্ট দখল ও মাছ লুটের অভিযোগ, মানববন্ধনে বাধার দাবি Logo বৈরী আবহাওয়ায় সমুদ্রে না যাওয়ার আহ্বান কোস্টগার্ডের Logo বন্ধ পাটকল ও টেক্সটাইল মিল চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী Logo কাঁঠালিয়ায় মামলা তুলে নিতে হুমকির অভিযোগ, থানায় জিডি Logo নোয়াখালীতে ট্রাকের ধাক্কায় কৃষি কর্মকর্তা নিহত Logo ঘাটাইলে মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক র‍্যালি Logo জনবল সংকট ও দালালচক্রে শিবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের ভোগান্তি

‘খেলাধুলাই পারে সীমান্তের দেয়াল ভাঙতে’: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ২৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, খেলাধুলা শুধু পদক জয়ের প্রতিযোগিতা নয়; এটি সীমান্ত, ভাষা ও সংস্কৃতির বিভেদ অতিক্রম করে মানুষে মানুষে বন্ধুত্ব, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও দীর্ঘস্থায়ী কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম।

শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে রাজধানীর মিরপুরের শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে ১০ম ক্যাডেট, জুনিয়র, অনূর্ধ্ব-২১ ও সিনিয়র সাউথ এশিয়ান কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আজ এখানে সাত শতাধিক অ্যাথলেট ও কর্মকর্তাকে একসঙ্গে দেখে মনে হচ্ছে, খেলাধুলা কেবল প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র নয়; এটি শান্তি, বন্ধুত্ব ও আঞ্চলিক সহযোগিতারও একটি শক্তিশালী মাধ্যম।”

তিনি বলেন, বাংলাদেশের জন্য এ আন্তর্জাতিক চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন শুধু প্রশাসনিক সাফল্য নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সংহতি ও পারস্পরিক আস্থার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। অভিন্ন ইতিহাস, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধে আবদ্ধ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর তরুণদের একই মঞ্চে এনে শান্তি ও সম্মিলিত অগ্রগতির ভিত্তি আরও শক্তিশালী করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

সরকারের ক্রীড়া উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে আমিনুল হক বলেন, যুব উন্নয়নকে সরকার জাতীয় অগ্রগতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করছে। বিশ্বমানের ক্রীড়া অবকাঠামো নির্মাণ, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে ধারাবাহিকভাবে বিনিয়োগ করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের সক্ষমতা অর্জনে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রারই প্রমাণ এ সাউথ এশিয়ান কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ।

তিনি বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশন ও আয়োজক কমিটিকে সফলভাবে টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য অভিনন্দন জানান।

অনুষ্ঠানে শ্রীলঙ্কা, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান এবং স্বাগতিক বাংলাদেশের অংশগ্রহণকারী অ্যাথলেটদের স্বাগত জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া প্রতিটি ক্রীড়াবিদ নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করলেও তাঁরা সম্মিলিতভাবে দক্ষিণ এশিয়ার ঐক্য ও সম্প্রীতির দূত।

অ্যাথলেটদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “বহু বছরের কঠোর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে আপনারা এই মঞ্চে পৌঁছেছেন। প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে লড়াই করবেন। তবে ক্রীড়াসুলভ আচরণ, বিনয় ও পারস্পরিক সম্মান সব সময় অটুট রাখতে হবে। বিজয় বিনয়ের সঙ্গে গ্রহণ করবেন, আর পরাজয় মেনে নেবেন মর্যাদার সঙ্গে।”

বক্তব্যের শেষে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে ১০ম সাউথ এশিয়ান কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬-এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

‘খেলাধুলাই পারে সীমান্তের দেয়াল ভাঙতে’: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক

আপডেট সময় :

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, খেলাধুলা শুধু পদক জয়ের প্রতিযোগিতা নয়; এটি সীমান্ত, ভাষা ও সংস্কৃতির বিভেদ অতিক্রম করে মানুষে মানুষে বন্ধুত্ব, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও দীর্ঘস্থায়ী কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম।

শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে রাজধানীর মিরপুরের শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে ১০ম ক্যাডেট, জুনিয়র, অনূর্ধ্ব-২১ ও সিনিয়র সাউথ এশিয়ান কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আজ এখানে সাত শতাধিক অ্যাথলেট ও কর্মকর্তাকে একসঙ্গে দেখে মনে হচ্ছে, খেলাধুলা কেবল প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র নয়; এটি শান্তি, বন্ধুত্ব ও আঞ্চলিক সহযোগিতারও একটি শক্তিশালী মাধ্যম।”

তিনি বলেন, বাংলাদেশের জন্য এ আন্তর্জাতিক চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন শুধু প্রশাসনিক সাফল্য নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সংহতি ও পারস্পরিক আস্থার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। অভিন্ন ইতিহাস, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধে আবদ্ধ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর তরুণদের একই মঞ্চে এনে শান্তি ও সম্মিলিত অগ্রগতির ভিত্তি আরও শক্তিশালী করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

সরকারের ক্রীড়া উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে আমিনুল হক বলেন, যুব উন্নয়নকে সরকার জাতীয় অগ্রগতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করছে। বিশ্বমানের ক্রীড়া অবকাঠামো নির্মাণ, উন্নত প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে ধারাবাহিকভাবে বিনিয়োগ করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের সক্ষমতা অর্জনে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রারই প্রমাণ এ সাউথ এশিয়ান কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ।

তিনি বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশন ও আয়োজক কমিটিকে সফলভাবে টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য অভিনন্দন জানান।

অনুষ্ঠানে শ্রীলঙ্কা, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান এবং স্বাগতিক বাংলাদেশের অংশগ্রহণকারী অ্যাথলেটদের স্বাগত জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া প্রতিটি ক্রীড়াবিদ নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করলেও তাঁরা সম্মিলিতভাবে দক্ষিণ এশিয়ার ঐক্য ও সম্প্রীতির দূত।

অ্যাথলেটদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “বহু বছরের কঠোর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে আপনারা এই মঞ্চে পৌঁছেছেন। প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে লড়াই করবেন। তবে ক্রীড়াসুলভ আচরণ, বিনয় ও পারস্পরিক সম্মান সব সময় অটুট রাখতে হবে। বিজয় বিনয়ের সঙ্গে গ্রহণ করবেন, আর পরাজয় মেনে নেবেন মর্যাদার সঙ্গে।”

বক্তব্যের শেষে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে ১০ম সাউথ এশিয়ান কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬-এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন।