ঢাকা ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কোস্টগার্ডের মাদক বিরোধী অভিযানে  ৭৫০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ Logo গলাচিপা পৌরসভায় ভাতা ভোগীদের যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে জনমনে ইতিবাচক সাড়া Logo তিন দিন ব্যাপী নাটোর কানাইখালী মাঠে আম প্রদর্শনী ও ফল মেলা শুরু Logo ঝিনাইদহে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ Logo ঝিনাইদহে ছয় লেন সড়ক নির্মাণে অধিগ্রহণকৃত জমির ন্যায্য মূল্য’র দাবিতে মানববন্ধন Logo হরিণাকুণ্ডুতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সহায়তার চেক ও ফুটবল বিতরণ Logo ওয়ালটন প্লাজার দেশব্যাপী ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প, হটলাইন চালু Logo গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ডামুড্যায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo নলুয়াবাগী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আগ্রহ মুজিবুর রহমানের Logo সভাপতি মোশাররফ, সম্পাদক মিজান

শেরপুরে পাহাড়ী ঢলে ৩ উপজেলায় বাঁধ ভেঙ্গে ৬০ গ্রাম প্লাবিত

মোহাম্মদ দুদু মল্লিক শেরপুর ব্যুরো
  • আপডেট সময় : ৬৭৯ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক গনমুক্তি অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

হাজারো মানুষ পানিবন্দী

অব্যাহত ভারী বর্ষণ এবং ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে শেরপুরের ঝিনাইগাতীর মহারশি নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বাঁধ ভেঙ্গে তিন উপজেলার প্রায় ৬০ গ্রাম প্লাবি হয়ে পড়েছে। পানি বন্দী হাজারো মানুষ।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) ভোরে রামেরকুড়া, খৈলকুড়া, ঝিনাইগাতী, চতল, বনগাও সহ কয়েক স্থানে বাঁধ ভেঙ্গে কমপক্ষে ১৫/২০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ঢলের পানি প্রবেশ করেছে উপজেলা শহরের প্রধান বাজারসহ বিভিন্ন অফিস ও বাড়ীঘরে।

 

জানা গেছে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ীর ভোগাই নদীর খালভাঙ্গা এলাকায় ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে সেখানেও প্রায় ২০ গ্র মোর পানি বন্ধি । শ্রীবরদী উপজেলার সোমেশ্বরী নদী বেড়ে গিয়ে কমপক্ষে ২০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ঝিনাইগাতী শহরসহ ভাটি এলাকার কমপক্ষে তিন উপজেলায় প্রায় ৬০টি গ্রামের মানুষ বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে।

বানের পানিতে ভেসে গেছে বহু মৎস্য খামার, পুকুর, বিভিন্ন সবজি ক্ষেত ও বীজতলা। স্থানীয়রা জানান, মহারশি নদীর ঝিনাইগাতী ব্রীজপাড় থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকা অবৈধভাবে নদী দখল করে বসতি স্থাপন করা নদীর নাব্যতা হারিয়েছে। নদী দখল করে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে দেয়া সহ স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্ম ণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল কবীর রাসেল, সহকারি কমিশনার (ভূমি) অনিন্দিতা রানী ভৌমিক, উপজেলা প্রকৌশলী শুভ বসাক, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহাদৎ হোসেন,ধানশাইল ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলামসহ অন্যান্যরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশরাফুল কবীর রাসেল জানান, মহারশি নদীতে বেড়িবাঁধ নির্মাণের প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসনের তরফে সবধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। স্ব-স্ব- ইউনিয়নে চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে পানি বন্দি মানুষের মাঝে শুকনো খাবার দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরবর্তীতে বাড়ীঘর ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে আর্থিক অনুদান ও ঢেউটিন প্রদান করা হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

শেরপুরে পাহাড়ী ঢলে ৩ উপজেলায় বাঁধ ভেঙ্গে ৬০ গ্রাম প্লাবিত

আপডেট সময় :

 

হাজারো মানুষ পানিবন্দী

অব্যাহত ভারী বর্ষণ এবং ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে শেরপুরের ঝিনাইগাতীর মহারশি নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বাঁধ ভেঙ্গে তিন উপজেলার প্রায় ৬০ গ্রাম প্লাবি হয়ে পড়েছে। পানি বন্দী হাজারো মানুষ।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) ভোরে রামেরকুড়া, খৈলকুড়া, ঝিনাইগাতী, চতল, বনগাও সহ কয়েক স্থানে বাঁধ ভেঙ্গে কমপক্ষে ১৫/২০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ঢলের পানি প্রবেশ করেছে উপজেলা শহরের প্রধান বাজারসহ বিভিন্ন অফিস ও বাড়ীঘরে।

 

জানা গেছে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ীর ভোগাই নদীর খালভাঙ্গা এলাকায় ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে সেখানেও প্রায় ২০ গ্র মোর পানি বন্ধি । শ্রীবরদী উপজেলার সোমেশ্বরী নদী বেড়ে গিয়ে কমপক্ষে ২০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ঝিনাইগাতী শহরসহ ভাটি এলাকার কমপক্ষে তিন উপজেলায় প্রায় ৬০টি গ্রামের মানুষ বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে।

বানের পানিতে ভেসে গেছে বহু মৎস্য খামার, পুকুর, বিভিন্ন সবজি ক্ষেত ও বীজতলা। স্থানীয়রা জানান, মহারশি নদীর ঝিনাইগাতী ব্রীজপাড় থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকা অবৈধভাবে নদী দখল করে বসতি স্থাপন করা নদীর নাব্যতা হারিয়েছে। নদী দখল করে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে দেয়া সহ স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্ম ণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল কবীর রাসেল, সহকারি কমিশনার (ভূমি) অনিন্দিতা রানী ভৌমিক, উপজেলা প্রকৌশলী শুভ বসাক, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহাদৎ হোসেন,ধানশাইল ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলামসহ অন্যান্যরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশরাফুল কবীর রাসেল জানান, মহারশি নদীতে বেড়িবাঁধ নির্মাণের প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় উপজেলা প্রশাসনের তরফে সবধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। স্ব-স্ব- ইউনিয়নে চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে পানি বন্দি মানুষের মাঝে শুকনো খাবার দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরবর্তীতে বাড়ীঘর ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে আর্থিক অনুদান ও ঢেউটিন প্রদান করা হবে।